২০, আগস্ট, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


বিপন্ন প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ উদ্ধার

রিপোর্টার নামঃ নিউজ ডেস্ক ।। প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ০৫ জুলাই ২০১৯, ০৬:০৬ পিএম

বিপন্ন প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ উদ্ধার
বিপন্ন প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ উদ্ধার

পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হুমকির মুখে দেশের জীববৈচিত্র্য। এখনই পরিবেশ বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যে কারণে এসব বিপন্ন হচ্ছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে বিপন্ন প্রজাতির কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি বর্তমানে শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই)কালনাগিনী সাপটি দুপুরে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসীন মিয়া মধুর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে এটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।

বিষযটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব।

প্রখ্যাত সরীসৃপ গবেষক শাহরিয়ার সিজার রহমান বলেন, কালনাগিনীর কোনো প্রকার বিষ নেই। এটি শান্ত প্রকৃতির সাপ এবং দিবাচর। অর্থাৎ দিনে চলাফেরা করে। এর ইংরেজি নাম Golden Tree Snake এবং বৈজ্ঞানিক নাম Chrysopelea ornata। এ সাপটি বিপন্ন প্রজাতির।

বিভিন্ন চলচ্চিত্রে এ সাপটিকে ‘বিষাক্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনসাধারণের মনে সাপ সম্পর্কে তীব্র ভয় ঢোকানোসহ মানুষকে মারাত্মকভাবে বিভ্রান্ত করা হয়েছে বলে জানান সরীসৃপ গবেষক শাহরিয়ার সিজার রহমান।

প্রসঙ্গত,পরিবেশ ও বিভিন্ন প্রাণী নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংস্থার তথ্য মতে, বাংলাদেশের প্রায় ৯০৩ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্যে ৩০-৩৫টি উভচর, ১২৬টি সরীসৃপ, ৬৫০টি পাখি এবং ১১৩টি স্তন্যপায়ী প্রজাতি রয়েছে। পৃথিবীতে শনাক্ত করা জীব প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা উদ্ভিদের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩৪ এবং প্রাণী প্রজাতির সংখ্যা ৫ হাজার ৩৫১টি।

বিপন্ন প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ উদ্ধার

প্রতিবেদক নাম: নিউজ ডেস্ক ।। প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৫ জুলাই ২০১৯, ০৬:০৬ পিএম

পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হুমকির মুখে দেশের জীববৈচিত্র্য। এখনই পরিবেশ বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যে কারণে এসব বিপন্ন হচ্ছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে বিপন্ন প্রজাতির কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি বর্তমানে শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে রয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই)কালনাগিনী সাপটি দুপুরে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসীন মিয়া মধুর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে এটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।

বিষযটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব।

প্রখ্যাত সরীসৃপ গবেষক শাহরিয়ার সিজার রহমান বলেন, কালনাগিনীর কোনো প্রকার বিষ নেই। এটি শান্ত প্রকৃতির সাপ এবং দিবাচর। অর্থাৎ দিনে চলাফেরা করে। এর ইংরেজি নাম Golden Tree Snake এবং বৈজ্ঞানিক নাম Chrysopelea ornata। এ সাপটি বিপন্ন প্রজাতির।

বিভিন্ন চলচ্চিত্রে এ সাপটিকে ‘বিষাক্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনসাধারণের মনে সাপ সম্পর্কে তীব্র ভয় ঢোকানোসহ মানুষকে মারাত্মকভাবে বিভ্রান্ত করা হয়েছে বলে জানান সরীসৃপ গবেষক শাহরিয়ার সিজার রহমান।

প্রসঙ্গত,পরিবেশ ও বিভিন্ন প্রাণী নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংস্থার তথ্য মতে, বাংলাদেশের প্রায় ৯০৩ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্যে ৩০-৩৫টি উভচর, ১২৬টি সরীসৃপ, ৬৫০টি পাখি এবং ১১৩টি স্তন্যপায়ী প্রজাতি রয়েছে। পৃথিবীতে শনাক্ত করা জীব প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা উদ্ভিদের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩৪ এবং প্রাণী প্রজাতির সংখ্যা ৫ হাজার ৩৫১টি।