২০, আগস্ট, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


ঠান্ডা বা গরম খেলেই দাঁতে শিরশিরানি? অবহেলায় বাড়তে পারে বিপদ!

রিপোর্টার নামঃ স্বাস্থ্য ডেস্ক: | আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১২:৩৬ পিএম

ঠান্ডা বা গরম খেলেই দাঁতে শিরশিরানি? অবহেলায় বাড়তে পারে বিপদ!
ঠান্ডা বা গরম খেলেই দাঁতে শিরশিরানি? অবহেলায় বাড়তে পারে বিপদ!

ঠাণ্ডা বা গরম খেলেই অনেকের দাঁতে শিরশিরানি অনুভূত হয়। অনেকেই এই সমস্যাটিকে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার বলেই মনে করেন। আর অবহেলার কারণে এক সময় এই বিষয়টি বেশ কষ্ট দিতে শুরু করে। অনেকেই এর থেকে রক্ষা পেতে নানা টুথব্রাশ,  টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশ বদলান। তবে এর দ্বারা সবসময় সমাধান হবে তা কিন্তু নয়।

দন্তচিকিৎসকদের মতে, দাঁতের শিরশিরানি অবহেলা করা একেবারেই উচিত নয়। এনামেল ও দাঁতের রুটের নানা সমস্যার কারণে এই উপদ্রব শুরু হয়। দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু ভুলও এই সমস্যার জন্য দায়ী। শরীরে অ্যাসিড জমা থাকলে, ব্রাশ করা ভুল থেকে বা দাঁত ভেঙে গেলে, পুরনো ফাইলিংয়ের কারণেও এমনটা হতে পারে। এছাড়াও এই সমস্যার আরো কিছু কারণ রয়েছে। তবে চিকিৎসা করালে এই সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। যত দ্রুত সম্ভব এটাকে গুরুত্ব সহকারে যত্ন নিলেই উপকার পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার পাশাপাশি মেনে চলুন কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ মধু ও সামান্য লবন মেশান। সকালে মুখ ধোওয়ার পর এই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। তারপর পানি মুখে রেখে নাড়াচাড়া করে ফেলে দিন।

২. মধু ছাড়া শুধু লবণ দিয়েও এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। দাঁতের জন্য লবণ-পানি খুবই উপকারি। দুই বেলা লবণ-পানিতে কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ফাঁকের খাবার ধুয়ে যায়, সঙ্গে দাঁতের ছোটখাটো সমস্যা ও দাগও দূর হয়ে যায়।

৩. ক্যাপসাইসিন রয়েছে এমন মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ঝালে অসুবিধা আছে তারা ব্যবহার করতে পারেন গ্রিন টি। চা তৈরি করে ঠান্ডা করে সেই চা দিয়েই কুলকুচি করুন। তাছাড়া ক্যাপসাইসিন জেল প্রদাহ ও ছোটখাটো সংক্রমণ কাটাতেও কার্যকর

৪. লবঙ্গ তেল দাঁতের গোড়ায় লাগিয়ে রাখলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ইউজেনল থাকায় এটি দাঁতের ব্যথা উপশম করে। গ্রিন টি-তে লবঙ্গ ফেলে সেই মিশ্রণ দিয়েও কুলকুচি করতে পারেন।  

ঠান্ডা বা গরম খেলেই দাঁতে শিরশিরানি? অবহেলায় বাড়তে পারে বিপদ!

প্রতিবেদক নাম: স্বাস্থ্য ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৩ জুলাই ২০১৯, ১২:৩৬ পিএম

ঠাণ্ডা বা গরম খেলেই অনেকের দাঁতে শিরশিরানি অনুভূত হয়। অনেকেই এই সমস্যাটিকে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার বলেই মনে করেন। আর অবহেলার কারণে এক সময় এই বিষয়টি বেশ কষ্ট দিতে শুরু করে। অনেকেই এর থেকে রক্ষা পেতে নানা টুথব্রাশ,  টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশ বদলান। তবে এর দ্বারা সবসময় সমাধান হবে তা কিন্তু নয়।

দন্তচিকিৎসকদের মতে, দাঁতের শিরশিরানি অবহেলা করা একেবারেই উচিত নয়। এনামেল ও দাঁতের রুটের নানা সমস্যার কারণে এই উপদ্রব শুরু হয়। দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু ভুলও এই সমস্যার জন্য দায়ী। শরীরে অ্যাসিড জমা থাকলে, ব্রাশ করা ভুল থেকে বা দাঁত ভেঙে গেলে, পুরনো ফাইলিংয়ের কারণেও এমনটা হতে পারে। এছাড়াও এই সমস্যার আরো কিছু কারণ রয়েছে। তবে চিকিৎসা করালে এই সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। যত দ্রুত সম্ভব এটাকে গুরুত্ব সহকারে যত্ন নিলেই উপকার পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার পাশাপাশি মেনে চলুন কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ মধু ও সামান্য লবন মেশান। সকালে মুখ ধোওয়ার পর এই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। তারপর পানি মুখে রেখে নাড়াচাড়া করে ফেলে দিন।

২. মধু ছাড়া শুধু লবণ দিয়েও এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। দাঁতের জন্য লবণ-পানি খুবই উপকারি। দুই বেলা লবণ-পানিতে কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ফাঁকের খাবার ধুয়ে যায়, সঙ্গে দাঁতের ছোটখাটো সমস্যা ও দাগও দূর হয়ে যায়।

৩. ক্যাপসাইসিন রয়েছে এমন মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ঝালে অসুবিধা আছে তারা ব্যবহার করতে পারেন গ্রিন টি। চা তৈরি করে ঠান্ডা করে সেই চা দিয়েই কুলকুচি করুন। তাছাড়া ক্যাপসাইসিন জেল প্রদাহ ও ছোটখাটো সংক্রমণ কাটাতেও কার্যকর

৪. লবঙ্গ তেল দাঁতের গোড়ায় লাগিয়ে রাখলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ইউজেনল থাকায় এটি দাঁতের ব্যথা উপশম করে। গ্রিন টি-তে লবঙ্গ ফেলে সেই মিশ্রণ দিয়েও কুলকুচি করতে পারেন।