২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের হাতছানি দিচ্ছে লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল

রিপোর্টার নামঃ নিউজ ডেস্ক ।। প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ২৭ জুন ২০১৯, ০১:০২ এএম

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের হাতছানি দিচ্ছে লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের হাতছানি দিচ্ছে লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলীয় পর্যটন বহুল ভূ-প্রকৃতির লীলাভূমি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ঈদের সময়কে আনন্দময় করে তোলার জন্য রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের কাছাকাছি থেকে ঈদের ছুটি উপভোগ করতে চান অনেকেই। এখন শ্রীমঙ্গলের পর্যটন স্পটগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটি উপভোগ করতে বরাবরের মতই পর্যটকরা আসেন চায়ের শহর দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ শ্রীমঙ্গলে। অনেকেই এরই মধ্যে এখানকার হোটেল-মোটেল, রেষ্ট হাউসগুলো বুকিং দিয়ে রেখেছেন আগে থেকেই। প্রতিবছরই ঈদের ছুটিতে নানা বয়সের মানুষের ভিড় হয় শ্রীমঙ্গলের নয়নকাড়া পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

এখান থেকে পর্যটকরা বিভিন্ন পাহাড়-টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, খাসিয়া পল্লী, এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, ছায়া নিবিড় পরিবেশে অবস্থিত নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ৭১’এর বধ্যভূমি, সিমেট্রি, হরিণছড়া গলফ মাঠ, চা কণ্যা ভাষ্কর্য, বাইক্কা বিল, দৃষ্টিনন্দন জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ, নিমাই শিববাড়ী মন্দির, লালটিলা মন্দির, হামহাম জলপ্রপাত, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শিতেস বাবুর চিরিয়াখানা, নীলকণ্ঠের সাত রংয়ের চা, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান, চা গবেষণা কেন্দ্র, চা যাদুঘর, বর্ষীজোড়া ইকোপার্কসহ চা বাগানের অপার সৌন্দর্য উপভোগ এবং স্থানীয় উপজাতিদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি প্রত্যক্ষ করবেন।

যাতায়াত: দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রেনে শ্রীমঙ্গল আসতে হানিফ, শ্যামলী, রূপসী বাংলা, এনা পরিবহনসহ আরও অন্যান্য সার্ভিস রয়েছে। শ্রীমঙ্গল থেকে সিএনজি, বাস, অটোরিকশায়, ট্যাক্সি করে পর্যটন স্পটগুলোয় যাওয়া যায়। প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটন গাইডও রয়েছে।

যেখানে থাকবেন: এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলে ফাইভ স্টার সমমানের হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, লেমন গার্ডেন, নিসর্গ ইকো কটেজ, নভেম ইকো রিসোর্ট, লিচিবাড়ি, হেরিটেজ , হিল ভিউ রেষ্ট হাউস, প্যারাডাইস লজ গেষ্ট হাউসসহ অর্ধশতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ব্যবস্থা আছে।

গ্রান্ড সুলতান রিসোর্টের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আরমান খান বলেন, এবারের ঈদের ছুটিতে কয়েক হাজার পর্যটক শ্রীমঙ্গলে ভীড় করবেন।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ৬ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত আমাদের সকল রূম বুকড হয়েছে’।

এবারের পবিত্র ঈদ উল ফিতরে প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র, দর্শনীয় স্থান সমূহে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে-এমনটি জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গলের টুরিস্ট পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এছাড়া রেল, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যাত্রীবাহী সব প্রকার যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশের পক্ষে উদ্যোগে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোনের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম আহসান হাবীব জানান, বিভিন্ন হোটেল, মোটেলে যারা অবস্থান এবং যে সমস্ত দর্শনীয় স্থানে ভ্রমন করবেন, তাদের ভ্রমন নির্বিঘ্ন রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের হাতছানি দিচ্ছে লীলাভূমি শ্রীমঙ্গল

প্রতিবেদক নাম: নিউজ ডেস্ক ।। প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ জুন ২০১৯, ০১:০২ এএম

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলীয় পর্যটন বহুল ভূ-প্রকৃতির লীলাভূমি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ঈদের সময়কে আনন্দময় করে তোলার জন্য রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের কাছাকাছি থেকে ঈদের ছুটি উপভোগ করতে চান অনেকেই। এখন শ্রীমঙ্গলের পর্যটন স্পটগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটি উপভোগ করতে বরাবরের মতই পর্যটকরা আসেন চায়ের শহর দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ শ্রীমঙ্গলে। অনেকেই এরই মধ্যে এখানকার হোটেল-মোটেল, রেষ্ট হাউসগুলো বুকিং দিয়ে রেখেছেন আগে থেকেই। প্রতিবছরই ঈদের ছুটিতে নানা বয়সের মানুষের ভিড় হয় শ্রীমঙ্গলের নয়নকাড়া পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

এখান থেকে পর্যটকরা বিভিন্ন পাহাড়-টিলাঘেরা সবুজ চা বাগান, খাসিয়া পল্লী, এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, ছায়া নিবিড় পরিবেশে অবস্থিত নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ৭১’এর বধ্যভূমি, সিমেট্রি, হরিণছড়া গলফ মাঠ, চা কণ্যা ভাষ্কর্য, বাইক্কা বিল, দৃষ্টিনন্দন জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ, নিমাই শিববাড়ী মন্দির, লালটিলা মন্দির, হামহাম জলপ্রপাত, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শিতেস বাবুর চিরিয়াখানা, নীলকণ্ঠের সাত রংয়ের চা, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান, চা গবেষণা কেন্দ্র, চা যাদুঘর, বর্ষীজোড়া ইকোপার্কসহ চা বাগানের অপার সৌন্দর্য উপভোগ এবং স্থানীয় উপজাতিদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি প্রত্যক্ষ করবেন।

যাতায়াত: দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রেনে শ্রীমঙ্গল আসতে হানিফ, শ্যামলী, রূপসী বাংলা, এনা পরিবহনসহ আরও অন্যান্য সার্ভিস রয়েছে। শ্রীমঙ্গল থেকে সিএনজি, বাস, অটোরিকশায়, ট্যাক্সি করে পর্যটন স্পটগুলোয় যাওয়া যায়। প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটন গাইডও রয়েছে।

যেখানে থাকবেন: এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলে ফাইভ স্টার সমমানের হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, লেমন গার্ডেন, নিসর্গ ইকো কটেজ, নভেম ইকো রিসোর্ট, লিচিবাড়ি, হেরিটেজ , হিল ভিউ রেষ্ট হাউস, প্যারাডাইস লজ গেষ্ট হাউসসহ অর্ধশতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ব্যবস্থা আছে।

গ্রান্ড সুলতান রিসোর্টের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আরমান খান বলেন, এবারের ঈদের ছুটিতে কয়েক হাজার পর্যটক শ্রীমঙ্গলে ভীড় করবেন।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ৬ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত আমাদের সকল রূম বুকড হয়েছে’।

এবারের পবিত্র ঈদ উল ফিতরে প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র, দর্শনীয় স্থান সমূহে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে-এমনটি জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গলের টুরিস্ট পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এছাড়া রেল, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যাত্রীবাহী সব প্রকার যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশের পক্ষে উদ্যোগে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জোনের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম আহসান হাবীব জানান, বিভিন্ন হোটেল, মোটেলে যারা অবস্থান এবং যে সমস্ত দর্শনীয় স্থানে ভ্রমন করবেন, তাদের ভ্রমন নির্বিঘ্ন রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।