১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেন, এসআইসহ আটক ২

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ রিপোর্ট | আপডেট: ২২ জুন ২০১৯, ০৮:১৯ পিএম

পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেন, এসআইসহ আটক ২
পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেন, এসআইসহ আটক ২

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার সময় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও সাংবাদিকের স্ত্রীসহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় টাঙ্গাইলের জামালপুর উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, জামালপুর সদর কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও ইসলামপুর উপজেলার সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)।

আজ শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় (বিপিএম)।

সঞ্জিত কুমার জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে কবির হোসেনের সঙ্গে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চুক্তি করেন এসআই মোহাম্মদ আলী ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি। শুক্রবার কবিরকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে একটি মাইক্রোবাসযোগে রওয়ানা হন তারা। পথে গাড়ির ভেতরেই টাকার লেনদন করেন তিনজন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারি নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা ও ফরম ৩ টাকার বিনিময়ে চাকুরি প্রদান করা হবে। এতে কোনো অবৈধ টাকা লেনদেন করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কবির হোসেনের ঘটনায় পুলিশের ওই এসআই ও সাংবাদিকের স্ত্রী সরাসরি জড়িত। তাদের আটকর করার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা লেনদেন, এসআইসহ আটক ২

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ রিপোর্ট ,

প্রকাশের সময়ঃ ২২ জুন ২০১৯, ০৮:১৯ পিএম

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার সময় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও সাংবাদিকের স্ত্রীসহ দুইজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় টাঙ্গাইলের জামালপুর উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, জামালপুর সদর কোর্টের এসআই মোহাম্মদ আলী ও ইসলামপুর উপজেলার সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি (৩৫)।

আজ শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় (বিপিএম)।

সঞ্জিত কুমার জানান, শেরপুর সদর থানার তারাগড় নামাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে কবির হোসেনের সঙ্গে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চুক্তি করেন এসআই মোহাম্মদ আলী ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. খায়রুল বাশারের স্ত্রী শাহানাতুল আরেফিন সুমি। শুক্রবার কবিরকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে একটি মাইক্রোবাসযোগে রওয়ানা হন তারা। পথে গাড়ির ভেতরেই টাকার লেনদন করেন তিনজন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী ১ জুলাই টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারি নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা ও ফরম ৩ টাকার বিনিময়ে চাকুরি প্রদান করা হবে। এতে কোনো অবৈধ টাকা লেনদেন করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কবির হোসেনের ঘটনায় পুলিশের ওই এসআই ও সাংবাদিকের স্ত্রী সরাসরি জড়িত। তাদের আটকর করার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।