২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


শিল্পী সম্মানী হিসেবে বিটিভি দিয়েছে ১৫৮ টাকার চেক!

রিপোর্টার নামঃ ডেস্ক রিপোর্ট ।। প্রতিদিনের কাগজ' | আপডেট: ২৯ মে ২০১৯, ১২:৩৮ পিএম

শিল্পী সম্মানী হিসেবে বিটিভি দিয়েছে ১৫৮ টাকার চেক!
শিল্পী সম্মানী হিসেবে বিটিভি দিয়েছে ১৫৮ টাকার চেক!

সম্প্রতি জয়নুল আবেদীন নামে এক গীতিকার তার ফেসবুক প্রোফাইলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল বিটিভি থেকে প্রাপ্ত ১৫৮ টাকার রয়্যালিটির একটি চেকের ছবি পোস্ট করে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি চেকের ছবিটির ক্যাপশনে লিখেছেন আজ ডাকযোগে পেলাম। বিটিভি থেকে পাঠিয়েছে ‘গীতিকার রয়্যালটি’। মাঝে মধ্যেই আসে। টাকার পরিমাণ এমনই। এগুলো ব্যাংকে জমা দিই না। এই হলো বাংলাদেশের গীতিকার/সুরকার/ শিল্পীদের মূল্যায়ন।

মূল্যায়নের নামে চাতুরি। যা হোক, নামীদামী কোনো শিল্পী/কবি/গীতিকার ইত্যাদি হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতায় আর যাই হোক মরার আগে বিদেশ ঘুরে আসা যায়। আর আমাদের মতো অখ্যাত গীতিকার/সুরকার /শিল্পীর মুল্য বড়জোর ১৫৮ টাকা। এর কোনো সমাধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া কোনওদিনই হবে না।

হুমায়ুন আজম রেওয়াজ নামে এক ব্যক্তি গীতিকার জয়নুল আবেদীনের এই আক্ষেপ নিয়ে ফেসবুকে পোস্টে লিখেন- ‘১৫৮ টাকা রয়ালটির নামে শিল্পীকে অপমান-তামাশা করার এই চর্চায় চেক স্বাক্ষরকারীগণের মনে কি একটা জিজ্ঞাসা বাজে না- ভেবে স্তব্ধ হই’!

কবি আবুল হাসান লিখেছেন, ‘পৃথিবীর মাতৃভাষা হলো ক্ষুধা।’ এই ক্ষুধা তো কোনো মহামানবের পক্ষেও অতিক্রম করা সম্ভব হয়নি। প্রত্যেকেই তার কাজে বিনিময়ে সর্বপ্রথম ক্ষুধাকেই অতিক্রম করতে চায়। একজন শিল্পীও সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। একজন শিল্পী যখন ক্ষুধার কাছে আত্মসমর্পণ করে তখন তার শিল্পচর্চা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফলে শিল্পীর এই অবমূল্যায়নের ফলে দেশটাও হয়তো কোনো না কোনোভাবে একটা মহৎ শিল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শিল্পী সম্মানী হিসেবে বিটিভি দিয়েছে ১৫৮ টাকার চেক!

প্রতিবেদক নাম: ডেস্ক রিপোর্ট ।। প্রতিদিনের কাগজ' ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৯ মে ২০১৯, ১২:৩৮ পিএম

সম্প্রতি জয়নুল আবেদীন নামে এক গীতিকার তার ফেসবুক প্রোফাইলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল বিটিভি থেকে প্রাপ্ত ১৫৮ টাকার রয়্যালিটির একটি চেকের ছবি পোস্ট করে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি চেকের ছবিটির ক্যাপশনে লিখেছেন আজ ডাকযোগে পেলাম। বিটিভি থেকে পাঠিয়েছে ‘গীতিকার রয়্যালটি’। মাঝে মধ্যেই আসে। টাকার পরিমাণ এমনই। এগুলো ব্যাংকে জমা দিই না। এই হলো বাংলাদেশের গীতিকার/সুরকার/ শিল্পীদের মূল্যায়ন।

মূল্যায়নের নামে চাতুরি। যা হোক, নামীদামী কোনো শিল্পী/কবি/গীতিকার ইত্যাদি হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতায় আর যাই হোক মরার আগে বিদেশ ঘুরে আসা যায়। আর আমাদের মতো অখ্যাত গীতিকার/সুরকার /শিল্পীর মুল্য বড়জোর ১৫৮ টাকা। এর কোনো সমাধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া কোনওদিনই হবে না।

হুমায়ুন আজম রেওয়াজ নামে এক ব্যক্তি গীতিকার জয়নুল আবেদীনের এই আক্ষেপ নিয়ে ফেসবুকে পোস্টে লিখেন- ‘১৫৮ টাকা রয়ালটির নামে শিল্পীকে অপমান-তামাশা করার এই চর্চায় চেক স্বাক্ষরকারীগণের মনে কি একটা জিজ্ঞাসা বাজে না- ভেবে স্তব্ধ হই’!

কবি আবুল হাসান লিখেছেন, ‘পৃথিবীর মাতৃভাষা হলো ক্ষুধা।’ এই ক্ষুধা তো কোনো মহামানবের পক্ষেও অতিক্রম করা সম্ভব হয়নি। প্রত্যেকেই তার কাজে বিনিময়ে সর্বপ্রথম ক্ষুধাকেই অতিক্রম করতে চায়। একজন শিল্পীও সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। একজন শিল্পী যখন ক্ষুধার কাছে আত্মসমর্পণ করে তখন তার শিল্পচর্চা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফলে শিল্পীর এই অবমূল্যায়নের ফলে দেশটাও হয়তো কোনো না কোনোভাবে একটা মহৎ শিল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।