১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


কুদৃষ্টি এড়াতে ‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি

রিপোর্টার নামঃ ডেস্ক রিপোর্ট ।। প্রতিদিনের কাগজ' | আপডেট: ২৭ মে ২০১৯, ০১:৩৩ পিএম

কুদৃষ্টি এড়াতে ‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি
সাধারণ নয়, এই শাড়ি ওয়াটারপ্রুফ ..

গ্রামে এখনো অনেক নারী আছেন যারা পুকুরে গোসল করেন। তাছাড়া কাজের তাগিদে বাইরে থাকা নারীদেরও বৃষ্টিতে ভেজা। আর ভেজা কাপড় শরীরের সাথে লেপ্টে থাকে তা সবারই জানা। কিন্তু জনসম্মুখে এই ধরণের পরিস্থিতি খুবই বিব্রতকর। তাই এই সমস্যা সমাধানে তৈরি করা হয়েছে ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি। যা সমাজের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে নারীদের সাহায্য করবে।

সম্প্রতি ভারতে হিন্দু ধর্মে একটি বিশেষ রীতিতে নদীতে গোসল করা খুবই পবিত্র মনে করা হয়। এই রীতিকে কুম্ভস্নান বলা হয়। পুণ্য অর্জনের জন্যই এই রীতি মেনে চলে সব হিন্দু জাতিরা। তবে এই ধরনের রীতি মানতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাহানি হয় মহিলাদের। তাই এলাহাবাদে এই সমস্যা এড়াতে বিশেষভাবে তৈরি করা ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি’।

দেখতে সাধারণ শাড়ির মতোই, বাসন্তী রঙের জমি ও সবুজ পাড়। কিন্তু এই শাড়ির উপরে রয়েছে একটি ওয়াটারপ্রুফ কোটিং। যতখুশি পানি লাগলেও এই শাড়ি ভিজবে না এবং শরীরের সঙ্গে লেপ্টে যাবে না। অর্থাৎ আব্রু বজায় রেখে গোসল ও পুণ্য দুটোই হলো নারীদের। এই অভিনব ভাবনাটি ছিল হিন্দুস্তান ইউনিলিভার গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড ‘হামাম’-এর ‘গোসেফআউটসাইড’ ক্যাম্পেনের।  আর এটির পরিকল্পনা ও রূপদান করেন বিখ্যাত বিজ্ঞাপন সংস্থা ‘ওগিলভি’।       

এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত ‘কুম্ভ ২০১৯’-এ, ১১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে, ‘সরস্বতী স্নান’-এর দিন পুণ্যার্থী মহিলাদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই শাড়ি। নিঃসন্দেহে এই ধরনের উদ্যোগ প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। পুণ্য অর্জন করতে এসে যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো তা থেকে মুক্তি পেলো নারীরা। এ বছর কুম্ভমেলায় শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য পোশাক পাল্টানোর বিশেষ ব্যবস্থাও করেছিল ‘হামাম’।

সামাজিক ভাবে নারীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এই পদক্ষেপ গ্রহণ সত্যি মনোমুগ্ধকর। ওয়াটারপ্রুফ শাড়ির উদ্যোগটি শুধুই নারীদের মর্যাদা রক্ষা করে না, পাশাপাশি নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তনও আনে। অজস্র লোলুপ দৃষ্টির সামনে লজ্জিত না হয়ে যাতে নারীরা নিশ্চিন্তে পুণ্যস্নান করতে পারেন, সেই জন্য এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।

কুদৃষ্টি এড়াতে ‘ওয়াটারপ্রুফ’ শাড়ি

প্রতিবেদক নাম: ডেস্ক রিপোর্ট ।। প্রতিদিনের কাগজ' ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ মে ২০১৯, ০১:৩৩ পিএম

গ্রামে এখনো অনেক নারী আছেন যারা পুকুরে গোসল করেন। তাছাড়া কাজের তাগিদে বাইরে থাকা নারীদেরও বৃষ্টিতে ভেজা। আর ভেজা কাপড় শরীরের সাথে লেপ্টে থাকে তা সবারই জানা। কিন্তু জনসম্মুখে এই ধরণের পরিস্থিতি খুবই বিব্রতকর। তাই এই সমস্যা সমাধানে তৈরি করা হয়েছে ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি। যা সমাজের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে নারীদের সাহায্য করবে।

সম্প্রতি ভারতে হিন্দু ধর্মে একটি বিশেষ রীতিতে নদীতে গোসল করা খুবই পবিত্র মনে করা হয়। এই রীতিকে কুম্ভস্নান বলা হয়। পুণ্য অর্জনের জন্যই এই রীতি মেনে চলে সব হিন্দু জাতিরা। তবে এই ধরনের রীতি মানতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাহানি হয় মহিলাদের। তাই এলাহাবাদে এই সমস্যা এড়াতে বিশেষভাবে তৈরি করা ‘ওয়াটারপ্রুফ শাড়ি’।

দেখতে সাধারণ শাড়ির মতোই, বাসন্তী রঙের জমি ও সবুজ পাড়। কিন্তু এই শাড়ির উপরে রয়েছে একটি ওয়াটারপ্রুফ কোটিং। যতখুশি পানি লাগলেও এই শাড়ি ভিজবে না এবং শরীরের সঙ্গে লেপ্টে যাবে না। অর্থাৎ আব্রু বজায় রেখে গোসল ও পুণ্য দুটোই হলো নারীদের। এই অভিনব ভাবনাটি ছিল হিন্দুস্তান ইউনিলিভার গোষ্ঠীর ব্র্যান্ড ‘হামাম’-এর ‘গোসেফআউটসাইড’ ক্যাম্পেনের।  আর এটির পরিকল্পনা ও রূপদান করেন বিখ্যাত বিজ্ঞাপন সংস্থা ‘ওগিলভি’।       

এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত ‘কুম্ভ ২০১৯’-এ, ১১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে, ‘সরস্বতী স্নান’-এর দিন পুণ্যার্থী মহিলাদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই শাড়ি। নিঃসন্দেহে এই ধরনের উদ্যোগ প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। পুণ্য অর্জন করতে এসে যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো তা থেকে মুক্তি পেলো নারীরা। এ বছর কুম্ভমেলায় শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য পোশাক পাল্টানোর বিশেষ ব্যবস্থাও করেছিল ‘হামাম’।

সামাজিক ভাবে নারীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এই পদক্ষেপ গ্রহণ সত্যি মনোমুগ্ধকর। ওয়াটারপ্রুফ শাড়ির উদ্যোগটি শুধুই নারীদের মর্যাদা রক্ষা করে না, পাশাপাশি নারীদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তনও আনে। অজস্র লোলুপ দৃষ্টির সামনে লজ্জিত না হয়ে যাতে নারীরা নিশ্চিন্তে পুণ্যস্নান করতে পারেন, সেই জন্য এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।