২২, আগস্ট, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


জি সি সি নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি পরিকল্পীত গ্রীন সিটি ও ক্লিন সিটিতে রূপান্তরের কারিগরের হাতে তুলে

রিপোর্টার নামঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান মামুন | আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৮, ০৭:১৮ পিএম

জি সি সি নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি পরিকল্পীত গ্রীন সিটি ও ক্লিন সিটিতে রূপান্তরের কারিগরের হাতে তুলে
জি সি সি নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি পরিকল্পীত গ্রীন সিটি ও

অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হয়। বাকী ০৯টি কেন্দ্রে কাউন্সিলরদের কর্মি সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে দূর্ঘটনার আশংকা দেখাদিলে কতৃপক্ষ ভোট স্থগিতাদেশ দেয়। এভাবেই নানা-নাতীর ভোট যুদ্ধের অবসান হয় এবং ভোট যুদ্ধে নানা আলহাজ্ব হাসান উদ্দিন সরকার হারে নাতী আলহাজ্ব এডঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিপুল ভোটে জিতে যায়। নানা-নাতির এমন ভোট যুদ্ধ বয়স্ক ভোটারদের কাছে  পুরোনো খেলা।

স্বাধীনতাত্তোরকালে আলোড়ন সৃষ্টিকারি লাকসাম পৌরসভার নির্বাচনে চাচা চাঁন মিয়া ও ভাতিজা সুরুজ মিয়ার নির্বাচনী প্রচারাভিজানে ব্যবহৃত মাইকের চোঙের বিশাল সাইজ (দৈর্ঘ্য) ও প্রচারাভিযান দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে উৎসুক মানুষের ঢল নামে।  লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনে চাচা-ভাতিজার লড়াই বি বি সি’র সংবাদ শিরনাম হয়ে চমকসৃষ্টি করে। গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে যদিও নানা-নাতির লড়াইয়ে এমনটা দৃশ্যমান নাহলেও নাতীকে হারাতে নানা অন্তহীন অভিযোগ জনসমক্ষে উপস্থাপন করে ভোটারদের সহানুভুতি কুড়াতে চেষ্টা করেন। তাঁর দল বদলের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ক্ষমতার সুবিধাভোগের অপকৌশলকে কাজে লাগিয়ে গাজীপুর মহানগরবাসিকে ভবিষ্যতে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে ভোটারদের সদয়ানুকুল্যতা পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা গাজীপুরের যুবসমাজ তথা নাতিদের গনজোয়ারের কাছে হেরে যায়। এই নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি নবউদ্যমে গাজীপুর মহানগরকে পরিকল্পিত গ্রীন সিটি ও ক্লিন সিটি’তে রূপান্তরের কারিগরের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়। আর জনসমক্ষে এমন অঙ্গিকারদাতার পাশে ততক্ষনই এই যুব শক্তি তাদের নিরলস শ্রম মেধা ও সময় দিয়ে সর্বাত্বকভাবে বাস্তবায়নে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করবে  যতক্ষন তিনি অঙ্গিকার বাস্তবায়নে দৃড়তার সাথে এগিয়ে যাবেন। দেশের এই বৃহত্তর মহানগর যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ১১,৩৭,৭৩৬ জন ৫৭টি ওয়ার্ডকে সাজাতে ৫৭ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর ও নারীর ক্ষমতায়নে সংরক্ষিত ১৯ টি আসনে ১৯ জন নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলর জনতার রায় নিয়ে প্রস্তুত। ফলে নতুন ভোটারদের আবেগের ফসল প্রতিনিধি নির্বাচনে যে ভাবে কাজে লেগেছে উন্নয়নেও যেন সে আবেগ বাস্তব রূপ নিয়ে পরবর্তী নবপ্রজন্মকেও উৎসাহিত করবে বলে এই নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি আশাবাদি।

গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনকে  বিতর্কিত করতে বি এন পি নেতৃত্বাধীণ বিশ দলীয় জোটের ধানের শীষ প্রতীকের  প্রার্থী ও উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবর্গ  জাতীকে বিব্রত করছে, যা আসলে খুবই দুঃখজনক। ভোটে হেরে গেলে কারচুপি ও ভোট ডাকাতি’র অভিযোগকে সামনে এনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নির্বাচনকে কলংকিত করার  জন্য উঠেপড়ে লেগে যাওয়া আর  প্রার্থী’র জিৎ হলে তখন গনতন্ত্রসহ সব ঠিক থাকা, এ কি রাজনীতির সঠিক ধারা ! রাজনীতির কূটচালে যারা হারতে শেখেনি তারা গণতন্ত্র বিকাশে কোন অবদান রাখতে পারে না।

গনতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে বিকশিত করতে হলে হার জিৎ মেনে নির্বাচন এবং রাজপথ উভয়স্থলে সমান তালে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। মরহুম জিয়াউর রহমানের বদান্যতায় দলটির তৃণমূল পর্যায়ে গনমানুষের যথেষ্ট নিরব সমর্থক আছে। উচ্চ-বিলাসী নেতৃত্ব দলটির এই বিশাল গনশক্তিকে অবহেলা করায় ধীরে ধীরে সঞ্চিত গনশক্তি সুবিধাভোগীর পথে পা বাড়াতে শুরু করে। তাদের হটকারি সিদ্ধান্তের ফলে দলটির নিবেদিত নেতাকর্মিরা বিপর্যস্ত আর সুবিধাভোগির দল বাগাড়ম্বর করে বেড়াচ্ছে। বিরোধী বি এন পি নেতৃত্বধীন রাজনৈতিক শিবিরে এমন আকাল সুবিধাভোগী রাজনীতিকদের দিয়ে দল ঘটনেই সৃষ্ট। সমাজে কিছু কুটু বুদ্ধির লোক আছে যাদের সাথে বন্ধুত্ব থাকলে পৃথক কোন শক্রর প্রয়োজন হয় না।  বিরোধী বি এন পি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শিবির ক্ষমতার হাত বদলে যে সকল নেতাকর্মি দলবদল করে বর্তমান নেতৃত্বের অগ্রভাগে আছেন, তারা প্রত্যেকেই সমাজের কুটুবুদ্ধি সম্পন্ন বন্ধুর মতই দলের সাথে আচরন করে বলেই বহুরূপী মানুষ মনোনয়নে অগ্রাধীকার পাচ্ছে। তারপরও নেতা-কর্মিদের উজ্জীবিত রাখতে অনিয়ম,কারচুপি ও নির্বাচন বাতিলের দাবীতে গনমাধ্যমে দলের কর্ণধারদের একাংশ প্রতিবাদে উচ্চকণ্ঠ। তারা ভোট কেন্দ্রের আদায়ী ভোটের আনুপাতিক হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাদের ভাষায় এক কেন্দ্রে ১৪% আবার পর্য্যায়ক্রমে কোনো কোনো কেন্দ্রে ৯০%’র উপরেও ভোট পড়েছে। এমন তারতম্যকে তারা ভোট কারচুপি বলে আখ্যায়িত করে। স্থানিয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দিতার উপর ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির হার বাড়া-কমা নির্ভর করে। প্রার্থীর গ্রহণ যোগ্যতা, আর্থিক স্বচ্চলতা ও উপস্থিতির জন্য প্রার্থীর কর্মির তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ। যে সকল ওয়ার্ডে প্রাথীর গ্রহণ যোগ্যতা ও আর্থিক অবস্থা সমানে সমান । ঐ সকল ওয়ার্ডে ভোটার উপস্থিতির উচ্চহার হওয়াটাই স্বাভাবিক। সুতরাং ভোটার উপস্থিতির হার কম বেশী দিয়ে অনিয়ম ও কারচুপি নির্ণয় করা যায় না। তারপরও নির্বাচন বিশ্লেষকরা নানাহ মত ও পথের আলোচনা দিয়ে গনমাধ্যমকে সরব করে তোলে। সাবেক সফল নির্বাচন কমিশনার ব্রিগ্রেডিয়ার (অবঃ} সাখাওয়াৎ হোসেন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।  অপরদিকে মহাজোট মনোনীত নৌকাা প্রতীকে বিজয়ী মেয়র আলহাজ্ব এডঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মেয়র পদে বিজয়কে মহানগরবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে কর্মি ও সুভানুদায়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যাস্থ। গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে বিজয়ের এই কৃতিত্ব জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া বালাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী’র রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফসল। তিনি সবসময় দলের নেতকর্মিদের ঐক্যে বিশ্বাসী বলেই গাজীপুরের নেতৃবৃন্দদের ডেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী’কে একলা চলার পথ পরিহার করে দলের সকল নেতাকর্মিকে সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের দরজায় কড়া নাড়তে বলে কিছু মূল্যবান উপদেশ দেন যা শুধু গাজীপুর নয় সমগ্র দেশের রাজনৈতিক নেতা-কর্মিদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তার এই উপদেশবাণী যে নেতা বা কর্মি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করবে এবং রাজনীতির মাঠে অনুসরন করবে সে কখনও গনতান্ত্রীক রাজনীতি ও ভোটের রাজনীতিতে অসফল হতে পারে না।  তার এই উপদেশ বাণী অনুসরনকারিকে নির্বাচনে জিতাতে প্রচারনার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের ভোটের মাঠে আসতে হবে না। যদি তার মধ্যে রাজনৈতিক এমন প্রজ্ঞা ,সততা, দেশপ্রেম ও তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া-দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে না পারতেন তাহলে ১৫ আগষ্টের নির্মমতার পর রাজনৈতিক অপশক্তির গ্রাসিত কবল থেকে দেশ ও জাতিকে উদ্ধার করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করা সম্ভব হত না। 

লেখক ঃ সাংবাদিক ও কলামিষ্ট।

জি সি সি নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি পরিকল্পীত গ্রীন সিটি ও

প্রতিবেদক নাম: মোঃ মাহবুবুর রহমান মামুন ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৩ জুলাই ২০১৮, ০৭:১৮ পিএম

অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হয়। বাকী ০৯টি কেন্দ্রে কাউন্সিলরদের কর্মি সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে দূর্ঘটনার আশংকা দেখাদিলে কতৃপক্ষ ভোট স্থগিতাদেশ দেয়। এভাবেই নানা-নাতীর ভোট যুদ্ধের অবসান হয় এবং ভোট যুদ্ধে নানা আলহাজ্ব হাসান উদ্দিন সরকার হারে নাতী আলহাজ্ব এডঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিপুল ভোটে জিতে যায়। নানা-নাতির এমন ভোট যুদ্ধ বয়স্ক ভোটারদের কাছে  পুরোনো খেলা।

স্বাধীনতাত্তোরকালে আলোড়ন সৃষ্টিকারি লাকসাম পৌরসভার নির্বাচনে চাচা চাঁন মিয়া ও ভাতিজা সুরুজ মিয়ার নির্বাচনী প্রচারাভিজানে ব্যবহৃত মাইকের চোঙের বিশাল সাইজ (দৈর্ঘ্য) ও প্রচারাভিযান দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে উৎসুক মানুষের ঢল নামে।  লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনে চাচা-ভাতিজার লড়াই বি বি সি’র সংবাদ শিরনাম হয়ে চমকসৃষ্টি করে। গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে যদিও নানা-নাতির লড়াইয়ে এমনটা দৃশ্যমান নাহলেও নাতীকে হারাতে নানা অন্তহীন অভিযোগ জনসমক্ষে উপস্থাপন করে ভোটারদের সহানুভুতি কুড়াতে চেষ্টা করেন। তাঁর দল বদলের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ক্ষমতার সুবিধাভোগের অপকৌশলকে কাজে লাগিয়ে গাজীপুর মহানগরবাসিকে ভবিষ্যতে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে ভোটারদের সদয়ানুকুল্যতা পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা গাজীপুরের যুবসমাজ তথা নাতিদের গনজোয়ারের কাছে হেরে যায়। এই নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি নবউদ্যমে গাজীপুর মহানগরকে পরিকল্পিত গ্রীন সিটি ও ক্লিন সিটি’তে রূপান্তরের কারিগরের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়। আর জনসমক্ষে এমন অঙ্গিকারদাতার পাশে ততক্ষনই এই যুব শক্তি তাদের নিরলস শ্রম মেধা ও সময় দিয়ে সর্বাত্বকভাবে বাস্তবায়নে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করবে  যতক্ষন তিনি অঙ্গিকার বাস্তবায়নে দৃড়তার সাথে এগিয়ে যাবেন। দেশের এই বৃহত্তর মহানগর যেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ১১,৩৭,৭৩৬ জন ৫৭টি ওয়ার্ডকে সাজাতে ৫৭ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর ও নারীর ক্ষমতায়নে সংরক্ষিত ১৯ টি আসনে ১৯ জন নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলর জনতার রায় নিয়ে প্রস্তুত। ফলে নতুন ভোটারদের আবেগের ফসল প্রতিনিধি নির্বাচনে যে ভাবে কাজে লেগেছে উন্নয়নেও যেন সে আবেগ বাস্তব রূপ নিয়ে পরবর্তী নবপ্রজন্মকেও উৎসাহিত করবে বলে এই নির্বাচনে জাগ্রত যুবশক্তি আশাবাদি।

গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনকে  বিতর্কিত করতে বি এন পি নেতৃত্বাধীণ বিশ দলীয় জোটের ধানের শীষ প্রতীকের  প্রার্থী ও উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবর্গ  জাতীকে বিব্রত করছে, যা আসলে খুবই দুঃখজনক। ভোটে হেরে গেলে কারচুপি ও ভোট ডাকাতি’র অভিযোগকে সামনে এনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নির্বাচনকে কলংকিত করার  জন্য উঠেপড়ে লেগে যাওয়া আর  প্রার্থী’র জিৎ হলে তখন গনতন্ত্রসহ সব ঠিক থাকা, এ কি রাজনীতির সঠিক ধারা ! রাজনীতির কূটচালে যারা হারতে শেখেনি তারা গণতন্ত্র বিকাশে কোন অবদান রাখতে পারে না।

গনতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে বিকশিত করতে হলে হার জিৎ মেনে নির্বাচন এবং রাজপথ উভয়স্থলে সমান তালে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। মরহুম জিয়াউর রহমানের বদান্যতায় দলটির তৃণমূল পর্যায়ে গনমানুষের যথেষ্ট নিরব সমর্থক আছে। উচ্চ-বিলাসী নেতৃত্ব দলটির এই বিশাল গনশক্তিকে অবহেলা করায় ধীরে ধীরে সঞ্চিত গনশক্তি সুবিধাভোগীর পথে পা বাড়াতে শুরু করে। তাদের হটকারি সিদ্ধান্তের ফলে দলটির নিবেদিত নেতাকর্মিরা বিপর্যস্ত আর সুবিধাভোগির দল বাগাড়ম্বর করে বেড়াচ্ছে। বিরোধী বি এন পি নেতৃত্বধীন রাজনৈতিক শিবিরে এমন আকাল সুবিধাভোগী রাজনীতিকদের দিয়ে দল ঘটনেই সৃষ্ট। সমাজে কিছু কুটু বুদ্ধির লোক আছে যাদের সাথে বন্ধুত্ব থাকলে পৃথক কোন শক্রর প্রয়োজন হয় না।  বিরোধী বি এন পি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শিবির ক্ষমতার হাত বদলে যে সকল নেতাকর্মি দলবদল করে বর্তমান নেতৃত্বের অগ্রভাগে আছেন, তারা প্রত্যেকেই সমাজের কুটুবুদ্ধি সম্পন্ন বন্ধুর মতই দলের সাথে আচরন করে বলেই বহুরূপী মানুষ মনোনয়নে অগ্রাধীকার পাচ্ছে। তারপরও নেতা-কর্মিদের উজ্জীবিত রাখতে অনিয়ম,কারচুপি ও নির্বাচন বাতিলের দাবীতে গনমাধ্যমে দলের কর্ণধারদের একাংশ প্রতিবাদে উচ্চকণ্ঠ। তারা ভোট কেন্দ্রের আদায়ী ভোটের আনুপাতিক হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাদের ভাষায় এক কেন্দ্রে ১৪% আবার পর্য্যায়ক্রমে কোনো কোনো কেন্দ্রে ৯০%’র উপরেও ভোট পড়েছে। এমন তারতম্যকে তারা ভোট কারচুপি বলে আখ্যায়িত করে। স্থানিয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দিতার উপর ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির হার বাড়া-কমা নির্ভর করে। প্রার্থীর গ্রহণ যোগ্যতা, আর্থিক স্বচ্চলতা ও উপস্থিতির জন্য প্রার্থীর কর্মির তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ। যে সকল ওয়ার্ডে প্রাথীর গ্রহণ যোগ্যতা ও আর্থিক অবস্থা সমানে সমান । ঐ সকল ওয়ার্ডে ভোটার উপস্থিতির উচ্চহার হওয়াটাই স্বাভাবিক। সুতরাং ভোটার উপস্থিতির হার কম বেশী দিয়ে অনিয়ম ও কারচুপি নির্ণয় করা যায় না। তারপরও নির্বাচন বিশ্লেষকরা নানাহ মত ও পথের আলোচনা দিয়ে গনমাধ্যমকে সরব করে তোলে। সাবেক সফল নির্বাচন কমিশনার ব্রিগ্রেডিয়ার (অবঃ} সাখাওয়াৎ হোসেন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।  অপরদিকে মহাজোট মনোনীত নৌকাা প্রতীকে বিজয়ী মেয়র আলহাজ্ব এডঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মেয়র পদে বিজয়কে মহানগরবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে কর্মি ও সুভানুদায়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যাস্থ। গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে বিজয়ের এই কৃতিত্ব জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া বালাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী’র রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফসল। তিনি সবসময় দলের নেতকর্মিদের ঐক্যে বিশ্বাসী বলেই গাজীপুরের নেতৃবৃন্দদের ডেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নির্বাচনে জয় ছিনিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী’কে একলা চলার পথ পরিহার করে দলের সকল নেতাকর্মিকে সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের দরজায় কড়া নাড়তে বলে কিছু মূল্যবান উপদেশ দেন যা শুধু গাজীপুর নয় সমগ্র দেশের রাজনৈতিক নেতা-কর্মিদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তার এই উপদেশবাণী যে নেতা বা কর্মি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করবে এবং রাজনীতির মাঠে অনুসরন করবে সে কখনও গনতান্ত্রীক রাজনীতি ও ভোটের রাজনীতিতে অসফল হতে পারে না।  তার এই উপদেশ বাণী অনুসরনকারিকে নির্বাচনে জিতাতে প্রচারনার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের ভোটের মাঠে আসতে হবে না। যদি তার মধ্যে রাজনৈতিক এমন প্রজ্ঞা ,সততা, দেশপ্রেম ও তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া-দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে না পারতেন তাহলে ১৫ আগষ্টের নির্মমতার পর রাজনৈতিক অপশক্তির গ্রাসিত কবল থেকে দেশ ও জাতিকে উদ্ধার করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করা সম্ভব হত না। 

লেখক ঃ সাংবাদিক ও কলামিষ্ট।