২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


আজ ২৪৮ তম‘ ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর দিবসে কিছু কথা’

রিপোর্টার নামঃ মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ: | আপডেট: ১৪ মে ২০১৯, ০৮:২১ পিএম

আজ ২৪৮ তম‘ ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর দিবসে কিছু কথা’
আজ ২৪৮ তম‘ ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর দিবসে কিছু কথা’

বৃটিশ শাসিত ভারতে ১৭৭২ সালের ১৪মে ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক প্রথম জেলা কালেক্টরের পদ সৃষ্টি করা হয়। ব্রিটিশ আমলে প্রথম সৃষ্ট পদটির নাম ছিলো ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর। এজন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে আজও ঐতিহ্যগত ভাবে কালেক্টরেট হিসেবে অভিহিত করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থার ক্ষমতা অর্পণ করা হয় এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট নামে আরেকটি পদ দেয়া হয়।

এটি জেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট। পরবর্তীতে পাকিস্থান আমলে, উরংঃৎরপঃ সধমরংঃৎধঃব বা ঈড়ষষবপঃড়ৎ  এর জন্য আরেকটি পদ সৃষ্টি করা হয় জেলার উন্নয়ন কর্মসমূহের সমন্বয় সাধনের জন্য, যার নাম ডেপুটি কমিশনার।

জেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে অর্পিত রয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি।

গধমরংঃৎধঃব  শব্দটি ল্যাটিন গধমরংঃৎধঃঁং শব্দ থেকে এসেছে যার মানে ধফসরহরংঃৎধঃড়ৎ বা শাসক।

ভারতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাংলায় বলা হয় ‘জেলা শাসক’। ‘শাসক’ শব্দটি সহনীয় করে বাংলাদেশে ‘প্রশাসক’ শব্দটি গ্রহণ করা হয়েছে। ‘জেলা প্রশাসক’ বহুল ব্যবহৃত উরংঃৎরপঃ গধমরংঃৎধঃব শব্দের পরিবর্তিত বাংলারূপ যা এখনো ভারতে জেলা শাসক নামে অভিহিত করা হয়।

ঐতিহ্যগতভাবে তাই এই উপমহাদেশের তথা বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো পদ এই ‘ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর’ আজ ২৪৭ বছর অতিক্রম করে ২৪৮ বছরে পা রাখলো।

বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভূতপূর্ব সকল সম্মানিত ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরগণকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

লেখক: জেলা প্রশাসক- সুনামগঞ্জ।

আজ ২৪৮ তম‘ ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর দিবসে কিছু কথা’

প্রতিবেদক নাম: মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১৪ মে ২০১৯, ০৮:২১ পিএম

বৃটিশ শাসিত ভারতে ১৭৭২ সালের ১৪মে ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক প্রথম জেলা কালেক্টরের পদ সৃষ্টি করা হয়। ব্রিটিশ আমলে প্রথম সৃষ্ট পদটির নাম ছিলো ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর। এজন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে আজও ঐতিহ্যগত ভাবে কালেক্টরেট হিসেবে অভিহিত করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থার ক্ষমতা অর্পণ করা হয় এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট নামে আরেকটি পদ দেয়া হয়।

এটি জেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট। পরবর্তীতে পাকিস্থান আমলে, উরংঃৎরপঃ সধমরংঃৎধঃব বা ঈড়ষষবপঃড়ৎ  এর জন্য আরেকটি পদ সৃষ্টি করা হয় জেলার উন্নয়ন কর্মসমূহের সমন্বয় সাধনের জন্য, যার নাম ডেপুটি কমিশনার।

জেলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে অর্পিত রয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি।

গধমরংঃৎধঃব  শব্দটি ল্যাটিন গধমরংঃৎধঃঁং শব্দ থেকে এসেছে যার মানে ধফসরহরংঃৎধঃড়ৎ বা শাসক।

ভারতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাংলায় বলা হয় ‘জেলা শাসক’। ‘শাসক’ শব্দটি সহনীয় করে বাংলাদেশে ‘প্রশাসক’ শব্দটি গ্রহণ করা হয়েছে। ‘জেলা প্রশাসক’ বহুল ব্যবহৃত উরংঃৎরপঃ গধমরংঃৎধঃব শব্দের পরিবর্তিত বাংলারূপ যা এখনো ভারতে জেলা শাসক নামে অভিহিত করা হয়।

ঐতিহ্যগতভাবে তাই এই উপমহাদেশের তথা বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো পদ এই ‘ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর’ আজ ২৪৭ বছর অতিক্রম করে ২৪৮ বছরে পা রাখলো।

বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভূতপূর্ব সকল সম্মানিত ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরগণকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

লেখক: জেলা প্রশাসক- সুনামগঞ্জ।