২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


ময়মনসিংহে শশীলজের নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার

রিপোর্টার নামঃ নিজস্ব প্রতিনিধি ।। প্রতিদিনের কাগজ' | আপডেট: ১১ মে ২০১৯, ০৫:৩৮ পিএম

ময়মনসিংহে শশীলজের নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার
ময়মনসিংহে শশীলজের নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার

ময়মনসিংহ নগরীর প্রাচীন জমিদারবাড়ি শশীলজের সামনে স্থাপিত নারীর ভাস্কর্যটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ শুরু হয়েছে নেতিবাচক প্রচারণা। প্রায় দেড়শ বছরের পুরাতন ভাস্কর্যটিকে ‘অশ্লীল’ উল্লেখ করে তা উৎখাতে ফেসবুকে চালানো হচ্ছে প্রচারণা। ইতিহাসের অংশ ভাস্কর্যটি উৎখাতে প্রচারণা চালানো হলেও এর পেছনে কে বা কারা রয়েছে এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না স্থানীয় জন প্রতিনিধি, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা। তবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক সমাজ। 

ময়মনসিংহ নাগরিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূরুল আমিন কালাম ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভাস্কর্যটি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যের প্রতীক। এ নিয়ে অপপ্রচারের সুযোগ নেই। নগরবাসীকে এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

এ নিয়ে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফা রহমান রুমা তার ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেছেন, ভাস্কর্যটি নিয়ে বছর দুয়েক হলো বিতর্ক দেখছি, আজ কিছুটা আতংকিত বোধ করছি যখন আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা একজন সম্মানিত আইনজীবি শশী লজের মূল ভবনের সামনে বাগানের মাঝখানে শ্বেতপাথরের ফোয়ারার সাথে গ্রিক দেবী ভেনাসের এক মর্মর মূর্তিকে নগ্ন মূর্তি হিসেবে কেবল ছি: ছি: করেই থামছেন না মূর্তিটিকে টিচার ট্রেনিং কলেজ থেকে সরিয়ে নিতে উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন।

এখানে জানিয়ে রাখি ঊনবিংশ শতকে মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদটি নির্মান করেন সাথে মূর্তিটিও আর ১৯৫২ সালে শশী লজে মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। অর্থাৎ কলেজে মূর্তিটি স্থাপন করা হয়নি একটি ঐতিহাসিক স্থানে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবং যে মূর্তি দেখে পাকিরাও লজ্জা পায়নি কিন্তু আপনারা পাচ্ছেন। এইসব প্রাচীন স্থাপনা, ভাস্কর্য বিশ্বের সামনে আমাদের অতীত ঐতিহ্য, আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে তুলে ধরে আর আজ এতো বছর পর এ মূর্তি নিয়ে ছি: ছি: করা তালেবানের ধ্বংস করা ঐতিহাসিক বামিয়ান প্রদেশের ১৫০০ বছরের পুরনো জোড়া বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ২০০১ সালে ধর্মের নামে সেখানে ধূলিসাৎ হয়েছিল ইতিহাস, আপনারা কি সচেতন বা অবচেতন মনে সেদিকেই হাঁটছেন?

জানা যায়, নগরীর কাছারি সংলগ্ন শশীলজ ছিল মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর ছেলে মহারাজ শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর বসতভিটা। শুরুতে সুরম্য দ্বিতল ভবন থাকলেও ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে তা ধসে পড়ে। পরে বর্তমানের একতলা ভবনটি গড়ে তোলা হয়। মহারাজ শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী নিজ বসত ভিটাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে দ্বিতল ভবন থাকাকালেই এর সামনে ফোয়ারা স্থাপন করেন। আর সেই ফোয়ারার মাঝখানে ঠাঁই পায় শ্বেতপাথরের স্বল্পবসনা নারী ভাস্কর্যটি। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা শশীলজের ওই ভাস্কর্য এবং স্থাপত্যশৈলীতে মুগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রতœতত্ত্ব বিভাগ জমিদারবাড়িটির দায়িত্ব নিয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন তা সকাল থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শশীলজের নারী ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচার শুরু হয়। বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ভাস্কর্যটির ছবি পোস্ট করে বলা হচ্ছে এমন ভাস্কর্যের জন্য দেশে ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে। ওইসব আইডি থেকে ধর্মীয় মূল্যবোধের দোহাই দিয়ে ভাস্কর্যটি উৎখাতেরও আহ্বান জানানো হয়।নারী ভাস্কর্য উৎখাতের আহ্বানের পর শশীলজ এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে চিঠিও দিয়েছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

জাদুঘরের সহকারী কাস্টডিয়ান সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ‘শশীলজের দৃষ্টিনন্দন নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্ট জাদুঘর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ১৭ এপ্রিল চিঠি দিয়েছি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, শশীলজ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কে বা কারা, কোন উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে ময়মনসিংহের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শেখ মো. বেলায়েত হোসেন শশীলজের নারী ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারী ভাস্কর্য নিয়ে প্রচারণার বিষয়টি আমার জানা নেই।

এদিকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান বলেন, ‘শশীলজ এবং এর সৌন্দর্য নারী ভাস্কর্যটি দেখতে বিভিন্ন এলাকার পর্যটকরা ছুটে আসেন। এটি ইতিহাসের অংশ। এটা সরাতে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা করে আসছে। তবে কারা এই অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত সে ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি। এ বিষয়ে সচেতন ময়মনসিংহবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।      


ময়মনসিংহে শশীলজের নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার

প্রতিবেদক নাম: নিজস্ব প্রতিনিধি ।। প্রতিদিনের কাগজ' ,

প্রকাশের সময়ঃ ১১ মে ২০১৯, ০৫:৩৮ পিএম

ময়মনসিংহ নগরীর প্রাচীন জমিদারবাড়ি শশীলজের সামনে স্থাপিত নারীর ভাস্কর্যটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ শুরু হয়েছে নেতিবাচক প্রচারণা। প্রায় দেড়শ বছরের পুরাতন ভাস্কর্যটিকে ‘অশ্লীল’ উল্লেখ করে তা উৎখাতে ফেসবুকে চালানো হচ্ছে প্রচারণা। ইতিহাসের অংশ ভাস্কর্যটি উৎখাতে প্রচারণা চালানো হলেও এর পেছনে কে বা কারা রয়েছে এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না স্থানীয় জন প্রতিনিধি, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা। তবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক সমাজ। 

ময়মনসিংহ নাগরিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূরুল আমিন কালাম ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভাস্কর্যটি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যের প্রতীক। এ নিয়ে অপপ্রচারের সুযোগ নেই। নগরবাসীকে এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

এ নিয়ে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফা রহমান রুমা তার ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেছেন, ভাস্কর্যটি নিয়ে বছর দুয়েক হলো বিতর্ক দেখছি, আজ কিছুটা আতংকিত বোধ করছি যখন আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা একজন সম্মানিত আইনজীবি শশী লজের মূল ভবনের সামনে বাগানের মাঝখানে শ্বেতপাথরের ফোয়ারার সাথে গ্রিক দেবী ভেনাসের এক মর্মর মূর্তিকে নগ্ন মূর্তি হিসেবে কেবল ছি: ছি: করেই থামছেন না মূর্তিটিকে টিচার ট্রেনিং কলেজ থেকে সরিয়ে নিতে উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন।

এখানে জানিয়ে রাখি ঊনবিংশ শতকে মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদটি নির্মান করেন সাথে মূর্তিটিও আর ১৯৫২ সালে শশী লজে মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। অর্থাৎ কলেজে মূর্তিটি স্থাপন করা হয়নি একটি ঐতিহাসিক স্থানে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবং যে মূর্তি দেখে পাকিরাও লজ্জা পায়নি কিন্তু আপনারা পাচ্ছেন। এইসব প্রাচীন স্থাপনা, ভাস্কর্য বিশ্বের সামনে আমাদের অতীত ঐতিহ্য, আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাসকে তুলে ধরে আর আজ এতো বছর পর এ মূর্তি নিয়ে ছি: ছি: করা তালেবানের ধ্বংস করা ঐতিহাসিক বামিয়ান প্রদেশের ১৫০০ বছরের পুরনো জোড়া বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ২০০১ সালে ধর্মের নামে সেখানে ধূলিসাৎ হয়েছিল ইতিহাস, আপনারা কি সচেতন বা অবচেতন মনে সেদিকেই হাঁটছেন?

জানা যায়, নগরীর কাছারি সংলগ্ন শশীলজ ছিল মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর ছেলে মহারাজ শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর বসতভিটা। শুরুতে সুরম্য দ্বিতল ভবন থাকলেও ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে তা ধসে পড়ে। পরে বর্তমানের একতলা ভবনটি গড়ে তোলা হয়। মহারাজ শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী নিজ বসত ভিটাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে দ্বিতল ভবন থাকাকালেই এর সামনে ফোয়ারা স্থাপন করেন। আর সেই ফোয়ারার মাঝখানে ঠাঁই পায় শ্বেতপাথরের স্বল্পবসনা নারী ভাস্কর্যটি। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা শশীলজের ওই ভাস্কর্য এবং স্থাপত্যশৈলীতে মুগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রতœতত্ত্ব বিভাগ জমিদারবাড়িটির দায়িত্ব নিয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন তা সকাল থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শশীলজের নারী ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচার শুরু হয়। বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ভাস্কর্যটির ছবি পোস্ট করে বলা হচ্ছে এমন ভাস্কর্যের জন্য দেশে ধর্ষণ বেড়ে যাচ্ছে। ওইসব আইডি থেকে ধর্মীয় মূল্যবোধের দোহাই দিয়ে ভাস্কর্যটি উৎখাতেরও আহ্বান জানানো হয়।নারী ভাস্কর্য উৎখাতের আহ্বানের পর শশীলজ এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে চিঠিও দিয়েছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

জাদুঘরের সহকারী কাস্টডিয়ান সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ‘শশীলজের দৃষ্টিনন্দন নারী ভাস্কর্যটি নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন পোস্ট জাদুঘর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ১৭ এপ্রিল চিঠি দিয়েছি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, শশীলজ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কে বা কারা, কোন উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে ময়মনসিংহের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শেখ মো. বেলায়েত হোসেন শশীলজের নারী ভাস্কর্য নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারী ভাস্কর্য নিয়ে প্রচারণার বিষয়টি আমার জানা নেই।

এদিকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান বলেন, ‘শশীলজ এবং এর সৌন্দর্য নারী ভাস্কর্যটি দেখতে বিভিন্ন এলাকার পর্যটকরা ছুটে আসেন। এটি ইতিহাসের অংশ। এটা সরাতে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা করে আসছে। তবে কারা এই অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত সে ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি। এ বিষয়ে সচেতন ময়মনসিংহবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।