২৫, এপ্রিল, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৯ শা'বান ১৪৪০

বিজেপির জন্যই কাশ্মীরের আজ এই অবস্থা: ওমর আবদুল্লা

রিপোর্টার নামঃ আন্তর্জাতিক ডেস্ক: | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:১৪ পিএম

বিজেপির জন্যই কাশ্মীরের আজ এই অবস্থা: ওমর আবদুল্লা
বিজেপির জন্যই কাশ্মীরের আজ এই অবস্থা: ওমর আবদুল্লা

“আজ কাশ্মীরে আতংক, গুলির শব্দ, বারুদের গন্ধ৷ আর এসবই হয়েছে বিজেপির ভুল নীতির জন্য৷ পিডিপির সঙ্গে স্বার্থের জোট করে কাশ্মীরের ভবিষ্যত নষ্ট করেছে বিজেপি৷ এই জোট কাশ্মীরে বন্দুক, সন্ত্রাস, আতংক ও ভয়ের জন্ম দিয়েছে৷” এমনই মন্তব্য জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা৷

সোমবার কাশ্মীরে এক জনসভায় মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দাগেন তিনি৷ বলেন, কাশ্মীরে একের পর এক বাঙ্কার তৈরি করেছে বিজেপি সরকার৷ হিংসা ছড়িয়েছে প্রতিবেশী দেশে৷ ৩৭০ এ ধারা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে৷ ৷ আমাদের সময়ে কাশ্মীর থেকে ৪০টি বাঙ্কার সরিয়ে ছিলাম৷ আর এখন দোতলা বাঙ্কার তোলা হচ্ছে৷

২০১৪ সালে মোদীর ভাষণকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন “মোদী নিজের বক্তব্যে কাশ্মীর থেকে মুফতি ও আবদুল্লা পরিবারকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷ কিন্তু ২০১৫ সালে জোট করবেন বলে এই দুই পরিবারের কাছেই হাত পাতলেন৷ কিন্তু আবদুল্লা পরিবার আপনার সেই কথা ভোলেনি৷ তবে মুফতিরা ক্ষমতা আসার লোভে আপনার হাত ধরেছিল৷”

এর আগে, ওমর আবদুল্লা বলেন কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে বিজেপি সরকার৷ গোটা দেশেই নিরীহ কাশ্মীরিদের ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর এটা শুরু হয়েছে পুলওয়ামা হামলার পর থেকেই৷ জম্মু কাশ্মীরের শ্রীনগরে বসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী৷

এদিন তিনি বলেন একটা হামলার পর বিশেষ একটি ধর্মের মানুষকে অযথা টার্গেট করা হচ্ছে৷ এজন্য ফল ভোগ করছেন সাধারণ কাশ্মীরিরা৷ কাশ্মীরের পড়ুয়ারা, যারা বাইরে পড়তে গিয়েছে, তাদের হেনস্থা করা হচ্ছে৷ এসবই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের মদতে হচ্ছে৷

উল্লেখ্য পুলওয়ামার পর সেনাকে কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছিল কেন্দ্র৷ নিরাপত্তায় কড়াকড়ি শুরু হয় গোটা উপত্যকাজুড়ে৷ সেনা অভিযানে বিপন্ন বোধ করছেন কাশ্মীরের মানুষরা৷ অন্যদিকে, দেশের নানা প্রান্তেও কাশ্মীরিদের জঙ্গি আশ্রয়দাতা হিসাবে মনে করা হচ্ছে৷ হামলা হচ্ছে কাশ্মীরি পড়ুয়া থেতে চিকিৎসক, শাল বিক্রেতাদের উপর৷ প্রাণ বিপন্ন তাদের৷ এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র কোনও কথা বলেনি এতদিন৷ ফলে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়৷ এই হামলার পেছনে কেন্দ্রীয় শাসক দলের মদত রয়েছে বলে দাবি করেন উপত্যকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা৷