২২, আগস্ট, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত

রিপোর্টার নামঃ মাহমুদুল হাসান রতন | আপডেট: ২৭ জুন ২০১৮, ০৭:৩২ পিএম

মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত
মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মমেকহা) পরিচালক ব্রি: জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ ফেসবুক স্টেটাসে লিখেছেন, শান্তিপ্রিয় মানুষ আমি। একজন সৈনিক। যুদ্ধ করতে শিখেছি এবং প্রয়োজনে করি। হাসপাতালে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি কেউ করার চেস্টা করলে তা আইনানুগভাবে কঠোরভাবে দমন করা হবে। সকল ষড়যন্ত্রকারী গোয়েন্দা নজরদারীতে আছে। মুখোস খোলার সময় অতি সন্নিকটে। আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সকল স্তরে অনুরোধ করছি আমি যে লিস্ট দিয়েছি, তাদের কড়া নজরদারীতে রাখুন। নুতনভাবে অন্য আংগিকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এমন হুমকিমুলক বক্তব্য কার বিরুদ্ধে? প্রশ্ন জনমনে। তিনি একজন সরকারের কর্মকর্তা। চাকুরীর সুবাদে এসেছেন ময়মনসিংহবাসির সেবা করতে। পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বতো বটেই। ময়মনসিংহের এক শ্রেনীর সাধারণ মানুষ ফেসবুক প্রচারনায় পরিচালকের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। আবার সুশীল সমাজের একটি অংশ কিছুদিন আগে পরিচালকের বদলী ঠেকাতে মানববন্ধনও করেছেন। আবার মাঝে মধ্যে কিছু মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় পরিচালকের দূর্নীতির চিত্র। মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত?

জনগন মনে করেন পরিচালক ব্রি: নাসির উদ্দিন যে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে আইনগত হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন, সেই সকল অপশক্তির মুখোশ খোলাও জরুরী। পরিচালক এর জন্য কতটুকু সময় নেবেন তা নিয়ে ময়মনসিংহবাসি অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তিনি যদি তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে না পারেন তাহলে তার সততা, সাহস, হুশিয়ারী কি প্রশ্ন বিদ্ধ হবেনা? জানার আগ্রহ নিয়ে যদি সাধারণ মানুষ জানতে চায় তাহলে আসল বিষয়টা কি? আপনি স্টেটাসে এ-ও লিখেছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট তালিকা দিয়েছেন নজরদারিতে রাখার জন্য। তার মানে অপশক্তি সিন্ডিকেটের তালিকা আপনার হাতে থাকার পরেও কেন প্রকাশ করছেন না তা নিয়েও সন্দেহের তীর আপনার দিকেও রয়েছে। ধারনা করা যায় পরিচালকের দূর্নীতি না অপর পক্ষের স্বার্থে আঘাত? বিষয়টা পরিস্কার হওয়া দরকার। সত্য উদঘাটন হলেই ময়মনসিংহবাসি কৃতার্থ হবে ।

সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মচিমহা)র, দুই পরাক্রমশালী ব্যক্তির ঘোরতর দ্বন্ধে এখন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে মচিমহার চুরিচামারী আর সাধারন গ্রামীণ জনপদের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের আত্মসাতের টাকার তথ্য।

মানুষ আল্লাহর পরে হাসপাতালকে বিশ্বাস করে আর বিশ্বাস করে হাসপাতালের ডাক্তার এবং প্রধান ব্যক্তিটিকে যিনি পরিচালক হিসাবে আবির্ভূত হয়ে তাদের সেবাদানে ব্রতী হন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিঃ জেঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ যুবলীগের এক নেতার সাথে ভাব বিনিময় করে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একনাগারে গরীবের হাসপাতাল বলে বিবেচিত মচিমহাকে চেটেপুটে খেয়ে মচিমহাকে আন্ত:সার শূন্য করে তুলেছেন। নিম্নমানের খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম গ্রহণে রোগীদের বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সার্ভিস চার্জের নামে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সরকারী হাসপাতালে নির্ধারিত সেবা মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা নীতি বহির্ভূত এবং অপরাধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
একই বছরের ৮ আগস্ট পরিচালকের পক্ষে উপ-পরিচালক স্বাক্ষরিত আরেক অফিস আদেশে বলা হয়েছে ‘মমেক হাসপাতালের রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের সরকারী পরীক্ষা-নিরীক্ষা সঙ্গে নিম্নবর্ণিত হারে সার্ভিস চার্জ আদায়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। সিটি স্ক্যান-২০০ টাকা, এমআরআই-৫০০ টাকা, আল্ট্রাসনোগ্রাম হোল এবডোমেন ৫৫ টাকা এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম সিঙ্গেল ৫০ টাকা।
একইভাবে হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের সব সেবার ওপর ৮ শতাংশ হরে সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে। ২০১৫ সালের মে মাস থেকে এই চার্জ আদায় শুরু হয়। যে রেজিস্ট্রার খাতায় আদায়কৃত সার্ভিস চার্জ লিপিবদ্ধ করা হয়, সেখানে দেখা যায় মাসে নিম্নে ১৩ হাজার টাকা থেকে ৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত কমিশন আদায় করা হয়েছে। প্রতি মাসের কমিশন প্রদানের খাতায় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ শিখা রুদ্র, অফিস সহকারী মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং পরিচালকের স্বাক্ষর রয়েছে। খাতার এক পৃষ্ঠায় অধ্যাপক ডাঃ শিখা রুদ্রর একটি নোট রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ‘এই খাতা শুধু কমিশন বিল হইতে পরিচালক মহোদয়ের বাবদ রেজিস্ট্রার হিসেবে ব্যবহƒত হইবে।

এমন পরিস্থিতে সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে জিজ্ঞাসা এবং আতংক। গনমাধ্যমের নানামুখি তথ্য উপাত্ত তুলে ধরা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে মমেক হাসপাতাল যে ধোয়াশা রয়েছে তা থেকে প্রকৃত ঘটনা অনুধাবন সহজতর নয়। তাই মমেক হাসপাতালের দায়িত্ববান পরিচালক তিনিই ময়মনসিংহবাসির কাছে খোলাসা করবেন তার অবস্থান। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এই মন্তব্য করেন। অতিরিক্ত ভরসায় সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আর ভালবাসায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ববোধ যেন ময়মনসিংহবাসির হৃদয়ে গাথাঁ থাকে আজীবন এমন প্রত্যাশা সকলের মাঝে। আপনি সুস্থ থাকুন দায়িত্বশীল মানুষ হয়ে আমাদের মাঝে।

(সম্পাদক, প্রতিদিনের কাগজ)।

মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত

প্রতিবেদক নাম: মাহমুদুল হাসান রতন ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ জুন ২০১৮, ০৭:৩২ পিএম

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মমেকহা) পরিচালক ব্রি: জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ ফেসবুক স্টেটাসে লিখেছেন, শান্তিপ্রিয় মানুষ আমি। একজন সৈনিক। যুদ্ধ করতে শিখেছি এবং প্রয়োজনে করি। হাসপাতালে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি কেউ করার চেস্টা করলে তা আইনানুগভাবে কঠোরভাবে দমন করা হবে। সকল ষড়যন্ত্রকারী গোয়েন্দা নজরদারীতে আছে। মুখোস খোলার সময় অতি সন্নিকটে। আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সকল স্তরে অনুরোধ করছি আমি যে লিস্ট দিয়েছি, তাদের কড়া নজরদারীতে রাখুন। নুতনভাবে অন্য আংগিকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এমন হুমকিমুলক বক্তব্য কার বিরুদ্ধে? প্রশ্ন জনমনে। তিনি একজন সরকারের কর্মকর্তা। চাকুরীর সুবাদে এসেছেন ময়মনসিংহবাসির সেবা করতে। পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বতো বটেই। ময়মনসিংহের এক শ্রেনীর সাধারণ মানুষ ফেসবুক প্রচারনায় পরিচালকের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। আবার সুশীল সমাজের একটি অংশ কিছুদিন আগে পরিচালকের বদলী ঠেকাতে মানববন্ধনও করেছেন। আবার মাঝে মধ্যে কিছু মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় পরিচালকের দূর্নীতির চিত্র। মমেক হাসপাতাল পরিচালকের দুর্নীতি না সিন্ডিকেটের স্বার্থে আঘাত?

জনগন মনে করেন পরিচালক ব্রি: নাসির উদ্দিন যে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে আইনগত হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন, সেই সকল অপশক্তির মুখোশ খোলাও জরুরী। পরিচালক এর জন্য কতটুকু সময় নেবেন তা নিয়ে ময়মনসিংহবাসি অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তিনি যদি তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে না পারেন তাহলে তার সততা, সাহস, হুশিয়ারী কি প্রশ্ন বিদ্ধ হবেনা? জানার আগ্রহ নিয়ে যদি সাধারণ মানুষ জানতে চায় তাহলে আসল বিষয়টা কি? আপনি স্টেটাসে এ-ও লিখেছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট তালিকা দিয়েছেন নজরদারিতে রাখার জন্য। তার মানে অপশক্তি সিন্ডিকেটের তালিকা আপনার হাতে থাকার পরেও কেন প্রকাশ করছেন না তা নিয়েও সন্দেহের তীর আপনার দিকেও রয়েছে। ধারনা করা যায় পরিচালকের দূর্নীতি না অপর পক্ষের স্বার্থে আঘাত? বিষয়টা পরিস্কার হওয়া দরকার। সত্য উদঘাটন হলেই ময়মনসিংহবাসি কৃতার্থ হবে ।

সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মচিমহা)র, দুই পরাক্রমশালী ব্যক্তির ঘোরতর দ্বন্ধে এখন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে মচিমহার চুরিচামারী আর সাধারন গ্রামীণ জনপদের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের আত্মসাতের টাকার তথ্য।

মানুষ আল্লাহর পরে হাসপাতালকে বিশ্বাস করে আর বিশ্বাস করে হাসপাতালের ডাক্তার এবং প্রধান ব্যক্তিটিকে যিনি পরিচালক হিসাবে আবির্ভূত হয়ে তাদের সেবাদানে ব্রতী হন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিঃ জেঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ যুবলীগের এক নেতার সাথে ভাব বিনিময় করে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একনাগারে গরীবের হাসপাতাল বলে বিবেচিত মচিমহাকে চেটেপুটে খেয়ে মচিমহাকে আন্ত:সার শূন্য করে তুলেছেন। নিম্নমানের খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম গ্রহণে রোগীদের বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সার্ভিস চার্জের নামে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সরকারী হাসপাতালে নির্ধারিত সেবা মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা নীতি বহির্ভূত এবং অপরাধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
একই বছরের ৮ আগস্ট পরিচালকের পক্ষে উপ-পরিচালক স্বাক্ষরিত আরেক অফিস আদেশে বলা হয়েছে ‘মমেক হাসপাতালের রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের সরকারী পরীক্ষা-নিরীক্ষা সঙ্গে নিম্নবর্ণিত হারে সার্ভিস চার্জ আদায়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। সিটি স্ক্যান-২০০ টাকা, এমআরআই-৫০০ টাকা, আল্ট্রাসনোগ্রাম হোল এবডোমেন ৫৫ টাকা এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম সিঙ্গেল ৫০ টাকা।
একইভাবে হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের সব সেবার ওপর ৮ শতাংশ হরে সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে। ২০১৫ সালের মে মাস থেকে এই চার্জ আদায় শুরু হয়। যে রেজিস্ট্রার খাতায় আদায়কৃত সার্ভিস চার্জ লিপিবদ্ধ করা হয়, সেখানে দেখা যায় মাসে নিম্নে ১৩ হাজার টাকা থেকে ৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত কমিশন আদায় করা হয়েছে। প্রতি মাসের কমিশন প্রদানের খাতায় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ শিখা রুদ্র, অফিস সহকারী মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং পরিচালকের স্বাক্ষর রয়েছে। খাতার এক পৃষ্ঠায় অধ্যাপক ডাঃ শিখা রুদ্রর একটি নোট রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ‘এই খাতা শুধু কমিশন বিল হইতে পরিচালক মহোদয়ের বাবদ রেজিস্ট্রার হিসেবে ব্যবহƒত হইবে।

এমন পরিস্থিতে সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে জিজ্ঞাসা এবং আতংক। গনমাধ্যমের নানামুখি তথ্য উপাত্ত তুলে ধরা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে মমেক হাসপাতাল যে ধোয়াশা রয়েছে তা থেকে প্রকৃত ঘটনা অনুধাবন সহজতর নয়। তাই মমেক হাসপাতালের দায়িত্ববান পরিচালক তিনিই ময়মনসিংহবাসির কাছে খোলাসা করবেন তার অবস্থান। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এই মন্তব্য করেন। অতিরিক্ত ভরসায় সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আর ভালবাসায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ববোধ যেন ময়মনসিংহবাসির হৃদয়ে গাথাঁ থাকে আজীবন এমন প্রত্যাশা সকলের মাঝে। আপনি সুস্থ থাকুন দায়িত্বশীল মানুষ হয়ে আমাদের মাঝে।

(সম্পাদক, প্রতিদিনের কাগজ)।