২১, জুলাই, ২০১৯, রোববার | | ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০


মহাকাশে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নাসা

রিপোর্টার নামঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: | আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪৭ এএম

মহাকাশে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নাসা
মহাকাশে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নাসা

গত ৬ মাস ধরে মহাকাশে চলছে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ মিসাইল। তবে মিসাইলটি এরইমধ্যে প্রায় ৪০০টি আবর্জনা কক্ষপথে ফেলেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)। আর তাতে ঝুঁকিও দেখছে মার্কিন সংস্থাটি।  

আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের বিজ্ঞানীরাও বিষয়টিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছেন।

নাসা বলছে, ভারতের লো অরবিট স্যাটেলাইটের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে থেকে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তীব্র গতিতে ঘোরাঘুরি করা ওই বর্জ্য যে কোনও মুহূর্তে আঘাত হানতে পারে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। তাকে প্রাণহানির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। 

এমনিতেই মহাকাশে বর্জ্য নিয়ে বহুদিন ধরেই চিন্তিত মহাকাশ গবেষকরা। কারণ, ওই বর্জ্যগুলি মহাকাশে দ্রুত গতিতে চলাচল করছে। 

ভারতের অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল পরীক্ষার ৫ দিন পরে গেল সোমবার (১ এপ্রিল) নাসা’র বিজ্ঞানী জিম ব্রাইডেনস্টাইন কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভারতের ধ্বংস হওয়া লো অরবিট স্যাটেলাইটটি গুঁড়িয়ে ৪০০টি ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি করেছে। যা মহাকাশ স্টেশনে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

তার কথায়, অবজেক্ট বা ধ্বংসাবশেষগুলি তুলনামূলক অনেকটা বড় হওয়ায় সহজেই ট্র্যাক করা যাচ্ছে। সেগুলি আকারে গড়ে ৬ ইঞ্চিরও বেশি বড়। এরইমধ্যে ৬০টি ধ্বংসাবশেষের গতিবিধি চিহ্নিত করেছে নাসা।  

এদিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাছাকাছি লো অরবিট স্যাটেলাইটটি ধ্বংস করেছে ভারত। মহাকাশ স্পেস স্টেশনের পক্ষে যা ঝুঁকিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কাজকে নিন্দনীয় ও বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছে নাসা। 

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে মহাকাশে পাঠানো ‘মিশন শক্তি’ মিসাইলকে তুরুপের তাস করে ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু ‘মিশন শক্তি’ মিসাইল নিয়ে ্নাসা যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাতে হিতে বিপরীত না হলেই হয়!

মহাকাশে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন নাসা

প্রতিবেদক নাম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪৭ এএম

গত ৬ মাস ধরে মহাকাশে চলছে ভারতের ‘মিশন শক্তি’ মিসাইল। তবে মিসাইলটি এরইমধ্যে প্রায় ৪০০টি আবর্জনা কক্ষপথে ফেলেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)। আর তাতে ঝুঁকিও দেখছে মার্কিন সংস্থাটি।  

আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের বিজ্ঞানীরাও বিষয়টিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছেন।

নাসা বলছে, ভারতের লো অরবিট স্যাটেলাইটের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে থেকে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তীব্র গতিতে ঘোরাঘুরি করা ওই বর্জ্য যে কোনও মুহূর্তে আঘাত হানতে পারে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। তাকে প্রাণহানির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। 

এমনিতেই মহাকাশে বর্জ্য নিয়ে বহুদিন ধরেই চিন্তিত মহাকাশ গবেষকরা। কারণ, ওই বর্জ্যগুলি মহাকাশে দ্রুত গতিতে চলাচল করছে। 

ভারতের অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল পরীক্ষার ৫ দিন পরে গেল সোমবার (১ এপ্রিল) নাসা’র বিজ্ঞানী জিম ব্রাইডেনস্টাইন কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভারতের ধ্বংস হওয়া লো অরবিট স্যাটেলাইটটি গুঁড়িয়ে ৪০০টি ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি করেছে। যা মহাকাশ স্টেশনে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

তার কথায়, অবজেক্ট বা ধ্বংসাবশেষগুলি তুলনামূলক অনেকটা বড় হওয়ায় সহজেই ট্র্যাক করা যাচ্ছে। সেগুলি আকারে গড়ে ৬ ইঞ্চিরও বেশি বড়। এরইমধ্যে ৬০টি ধ্বংসাবশেষের গতিবিধি চিহ্নিত করেছে নাসা।  

এদিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাছাকাছি লো অরবিট স্যাটেলাইটটি ধ্বংস করেছে ভারত। মহাকাশ স্পেস স্টেশনের পক্ষে যা ঝুঁকিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কাজকে নিন্দনীয় ও বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছে নাসা। 

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে মহাকাশে পাঠানো ‘মিশন শক্তি’ মিসাইলকে তুরুপের তাস করে ভোটের মাঠে ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু ‘মিশন শক্তি’ মিসাইল নিয়ে ্নাসা যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাতে হিতে বিপরীত না হলেই হয়!