২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


চারুকলায় বসন্ত বরণের রজতজয়ন্তী

রিপোর্টার নামঃ রিফাত পারভীন | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:২০ পিএম

চারুকলায় বসন্ত বরণের রজতজয়ন্তী
চারুকলায় বসন্ত বরণের রজতজয়ন্তী

বাঙালির জাতীয় জীবনে বসন্তের উপস্থিতি আদিকাল থেকেই। কবিতা, গান, নৃত্য আর প্রকৃতির রঙই যেন বসন্ত উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ। চারুকলার বকুলতলা মানেই বসন্ত বরণের উৎসব। আর প্রতিবছর এখানেই এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ। যদিও চারুকলার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণেও অনেক ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

এ বছর বকুলতলায় বসন্ত বরণ উত্সবের ২৫ বছর। তাই সারা দিনের আয়োজনেও থাকছে বিশেষ কিছু। যদিও এক সময়ে ফাল্গুনের পূর্ণিমাতেই বসন্ত উৎসব উদযাপন হত। বাংলাদে জার্নাল। 

তবে আমাদের দেশে ষাটের দশকে ছায়ানট ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন ফাল্গুনের প্রথম দিবসেই পালন করা হয় বাঙালিদের এই রঙের উৎসব।জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলা বছরের ১৪০০ সালে প্রথম এখানেই আমরা আয়োজন শুরু করি। তখন খুব বেশি মানুষ না এলেও এখন কাউকে বলতে হয় বকুলতলার বসন্ত উৎসবের কথা। সারা দিনই নানা আয়োজন উপভোগ করতে বহু মানুষের আনাগোনা থাকবে এখানে। আর এটিই ২৫ বছরে আমাদের প্রাপ্তি।

বসন্ত বরণের এই উত্সবে ঋতুভিত্তিক গান, প্রমের গান, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের গানেরই প্রাধান্য থাকে। এছাড়াও লোকজ নৃত্য আর প্রেম-প্রকৃতির কবিতা তো আছেই।

চারুকলায় বসন্ত বরণের রজতজয়ন্তী

প্রতিবেদক নাম: রিফাত পারভীন ,

প্রকাশের সময়ঃ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:২০ পিএম

বাঙালির জাতীয় জীবনে বসন্তের উপস্থিতি আদিকাল থেকেই। কবিতা, গান, নৃত্য আর প্রকৃতির রঙই যেন বসন্ত উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ। চারুকলার বকুলতলা মানেই বসন্ত বরণের উৎসব। আর প্রতিবছর এখানেই এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ। যদিও চারুকলার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণেও অনেক ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

এ বছর বকুলতলায় বসন্ত বরণ উত্সবের ২৫ বছর। তাই সারা দিনের আয়োজনেও থাকছে বিশেষ কিছু। যদিও এক সময়ে ফাল্গুনের পূর্ণিমাতেই বসন্ত উৎসব উদযাপন হত। বাংলাদে জার্নাল। 

তবে আমাদের দেশে ষাটের দশকে ছায়ানট ফাল্গুনের প্রথম ছুটির দিনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন ফাল্গুনের প্রথম দিবসেই পালন করা হয় বাঙালিদের এই রঙের উৎসব।জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি সফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলা বছরের ১৪০০ সালে প্রথম এখানেই আমরা আয়োজন শুরু করি। তখন খুব বেশি মানুষ না এলেও এখন কাউকে বলতে হয় বকুলতলার বসন্ত উৎসবের কথা। সারা দিনই নানা আয়োজন উপভোগ করতে বহু মানুষের আনাগোনা থাকবে এখানে। আর এটিই ২৫ বছরে আমাদের প্রাপ্তি।

বসন্ত বরণের এই উত্সবে ঋতুভিত্তিক গান, প্রমের গান, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের গানেরই প্রাধান্য থাকে। এছাড়াও লোকজ নৃত্য আর প্রেম-প্রকৃতির কবিতা তো আছেই।