২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


প্রেমিকের হাতে খুন হওয়া থেকে যেভাবে নিজেকে রক্ষা করল রিনা!

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০৫ পিএম

প্রেমিকের হাতে খুন হওয়া থেকে যেভাবে নিজেকে রক্ষা করল রিনা!
প্রেমিকের হাতে খুন হওয়া থেকে যেভাবে নিজেকে রক্ষা করল রিনা!

সহজ, সরল মেয়ে রিনা (ছদ্মনাম)। ২০১৩ সালে মাধ্যমিক পাশ করে নিজ জেলারই একটি কলেজে ভর্তি হয়। কলেজ জীবনটা ভালোই কাটছিল রিনার।

২০১৫’র ফেব্রুয়ারিতে রিনার উচ্চ মাধ্যমিকের মডেল টেষ্ট চলছিল। প্রথম পরীক্ষার দিন দশ মিনিট লেট করার কারণে অটো-রিকশায় ওঠে রিনা।

কিছু দূর যাওয়ার পরেই অটো-রিকশায় ওঠে আকাশ (ছদ্মনাম)। আকাশ রিনার কাছে তার নাম এবং পরিচয় জানতে চান। রিনাও সহজভাবে তার পরিচয় দেয়।

আকাশ জানায় সে ঢাকায় থাকে। ভবিষ্যতে রিনার ভর্তি সংক্রান্ত কোন বিষয়ে সাহায্যের দরকার হলে তিনি রিনাকে সাহায্য করতে পারবেন। তার বাসা রিনার বাসার কাছেই। এরপর রিনার ফোন নম্বর চায় আকাশ। রিনাও নম্বর দিয়ে দেয়।

এরপর মাঝে মাঝেই রিনার সাথে আকাশের ফোনে কথা হতো। তাছাড়া ফেসবুকেও নানান সময় মেসেজ আদান-প্রদান হতো। কিছুদিন পরে আকাশ জানায় তার বাবা মারা গেছেন। এরপর আকাশের বাবা হারানোর কথা ভেবে রিনা আকাশকে সহানুভূতি দেখায়। এরপর আকাশের পাশে দাঁড়ায় রিনা। ধীরে ধীরে সম্পর্কে জড়ায় রিনা ও আকাশ। এরপর একমাস পরে আকাশ জানায়, তার মাও মারা গেছে। আকাশ জানায় এখন তার একমাত্র সম্বল রিনা। শেষে রিনা শান্তনা দেয় আকাশকে। দেখে করে আকাশ-রিনা।

পরে হঠাৎই একদিন রিনা জানতে পারে আকাশের বাবা-মা মারা যায়নি। একপর্যায়ে রিনা জানতে পারে আকাশ বিবাহিত। তাছাড়া আকাশ অনেক মেয়ের সাথে একই ধরণের প্রতারণা করে আসছে।

এরপর একদিন রিনার হলের সামনে থেকে আকাশ রিনাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। রিনাকে হত্যার হুমকি দেয় আকাশ। রিনা তার সাথে দেখা না করলে রিনার বিষয় সব ওর বাবাকে জানিয়ে দেবে আকাশ। হুমকি-ধামকির এক পর্যায়ে রিনা তার বড় ভাইকে পুরো বিষয়টি জানায়।

পরে একদিন পর রিনাকে জোড় করে নিয়ে আকাশ একটা বাসে ওঠে এবং বলে আজ তাকে খুন করবে। ফোনে অনেকের সাথে কথা বলে আকাশ। রিনা বুঝতে পারে আজ তাকে মেরে ফেলবে আকাশ। তখন রিনা তাকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি তার সেই বড় ভাইকে জানায়। এরপর কৌশনে ফোন দিয়ে ওই বড় ভাইকে জানায় তার লোকেশনটা।

এরপর আকাশের বড় ভাই লোক পাঠিয়ে উদ্ধার করে রিনাকে। তখন আকাশের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় বড় একটি চাকু। তখন পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে রিনা। আকাশের সব তথ্য জেনে যাওয়া আকাশ রিনাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু চাতুরতায় শেষ মেষ রক্ষা পায় রিনা। বেঁচে যায় একটি প্রাণ। (এই লেখাটি বেসরকারি একটি টেলিভিশনের ফাঁদ অনুষ্ঠানের অবলম্বনে করা)

প্রেমিকের হাতে খুন হওয়া থেকে যেভাবে নিজেকে রক্ষা করল রিনা!

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০৫ পিএম

সহজ, সরল মেয়ে রিনা (ছদ্মনাম)। ২০১৩ সালে মাধ্যমিক পাশ করে নিজ জেলারই একটি কলেজে ভর্তি হয়। কলেজ জীবনটা ভালোই কাটছিল রিনার।

২০১৫’র ফেব্রুয়ারিতে রিনার উচ্চ মাধ্যমিকের মডেল টেষ্ট চলছিল। প্রথম পরীক্ষার দিন দশ মিনিট লেট করার কারণে অটো-রিকশায় ওঠে রিনা।

কিছু দূর যাওয়ার পরেই অটো-রিকশায় ওঠে আকাশ (ছদ্মনাম)। আকাশ রিনার কাছে তার নাম এবং পরিচয় জানতে চান। রিনাও সহজভাবে তার পরিচয় দেয়।

আকাশ জানায় সে ঢাকায় থাকে। ভবিষ্যতে রিনার ভর্তি সংক্রান্ত কোন বিষয়ে সাহায্যের দরকার হলে তিনি রিনাকে সাহায্য করতে পারবেন। তার বাসা রিনার বাসার কাছেই। এরপর রিনার ফোন নম্বর চায় আকাশ। রিনাও নম্বর দিয়ে দেয়।

এরপর মাঝে মাঝেই রিনার সাথে আকাশের ফোনে কথা হতো। তাছাড়া ফেসবুকেও নানান সময় মেসেজ আদান-প্রদান হতো। কিছুদিন পরে আকাশ জানায় তার বাবা মারা গেছেন। এরপর আকাশের বাবা হারানোর কথা ভেবে রিনা আকাশকে সহানুভূতি দেখায়। এরপর আকাশের পাশে দাঁড়ায় রিনা। ধীরে ধীরে সম্পর্কে জড়ায় রিনা ও আকাশ। এরপর একমাস পরে আকাশ জানায়, তার মাও মারা গেছে। আকাশ জানায় এখন তার একমাত্র সম্বল রিনা। শেষে রিনা শান্তনা দেয় আকাশকে। দেখে করে আকাশ-রিনা।

পরে হঠাৎই একদিন রিনা জানতে পারে আকাশের বাবা-মা মারা যায়নি। একপর্যায়ে রিনা জানতে পারে আকাশ বিবাহিত। তাছাড়া আকাশ অনেক মেয়ের সাথে একই ধরণের প্রতারণা করে আসছে।

এরপর একদিন রিনার হলের সামনে থেকে আকাশ রিনাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। রিনাকে হত্যার হুমকি দেয় আকাশ। রিনা তার সাথে দেখা না করলে রিনার বিষয় সব ওর বাবাকে জানিয়ে দেবে আকাশ। হুমকি-ধামকির এক পর্যায়ে রিনা তার বড় ভাইকে পুরো বিষয়টি জানায়।

পরে একদিন পর রিনাকে জোড় করে নিয়ে আকাশ একটা বাসে ওঠে এবং বলে আজ তাকে খুন করবে। ফোনে অনেকের সাথে কথা বলে আকাশ। রিনা বুঝতে পারে আজ তাকে মেরে ফেলবে আকাশ। তখন রিনা তাকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি তার সেই বড় ভাইকে জানায়। এরপর কৌশনে ফোন দিয়ে ওই বড় ভাইকে জানায় তার লোকেশনটা।

এরপর আকাশের বড় ভাই লোক পাঠিয়ে উদ্ধার করে রিনাকে। তখন আকাশের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় বড় একটি চাকু। তখন পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে রিনা। আকাশের সব তথ্য জেনে যাওয়া আকাশ রিনাকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু চাতুরতায় শেষ মেষ রক্ষা পায় রিনা। বেঁচে যায় একটি প্রাণ। (এই লেখাটি বেসরকারি একটি টেলিভিশনের ফাঁদ অনুষ্ঠানের অবলম্বনে করা)