২৪, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


উপজেলা নির্বাচনে ফুলবাড়ীয়ায় আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হতে পারেন এস.এম সাইফুজ্জামান সাইফুল

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রির্পোটার | আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:২৬ পিএম

উপজেলা নির্বাচনে ফুলবাড়ীয়ায় আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হতে পারেন এস.এম সাইফুজ্জামান সাইফুল
উপজেলা নির্বাচনে ফুলবাড়ীয়ায় আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হতে পারেন এস.এম সাইফুজ্জামান

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগের দলীয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রায় ১২ জন। এসব প্রার্থীরা ইতিমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রচার শুরু করেছেন। ১৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় উপজেলায় চেয়ারম্যান, নারী ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রায় ১২ জন আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী মাঠে নেমেছে। তারা শুরু করেছেন গণসংযোগ। ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের সমর্থকরা দলের রাজনৈতিক পরিচয় যোগ্যতাসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন ।

চেয়ারম্যান পদে শুধু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে আওয়ামীলীগ নেতারা দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছ থেকে তাদের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দলীয় সমর্থন আদায়ের জন্য ইতিমধ্যে লবিং শুরু করেছেন। তবে বিএনপি বা অন্য দলের প্রার্থীরা এখনও সেভাবে সরব নয়। দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে থাকলেও একাধিক প্রার্থী দলের বাইরেও নিজ যোগ্যতায় নির্বাচন করতে মাঠে প্রচারনায় ব্যস্ত রয়েছেন।

আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে টানা ৫ বারের ইউপি নির্বাচিত দলীয় চেয়ারম্যান এস.এম সাইফুজ্জামান (সাইফুল), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এডঃ আব্দুর রাজ্জাক, দলের সাধারন সম্পাদক ব্যবসায়ী ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডঃ মোঃ শামছুল হুদা, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ মফিজ উদ্দিন মন্ডল, জেলা পরিষদ সদস্য রুহুল আমিন, মোঃ তাজুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ কে বি এম আমিনুল ইসলাম খাইরুল, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ময়েজ উদ্দিন তরফদার , সাবেক যুবলীগ নেতা সিরাজউদ্দৌলা মঞ্জু, উপজেলা যুবলীগের আব্দুল কুদ্দুছ এর নাম শোনা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ফুলবাড়িয়া পৌর শহরের নোঙ্গর কমিউনিটি সেন্টারে তৃনমূলের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে বিশেষ বর্ধিত সভায় সংসদ সদস্য ও দলের সভাপতি আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এডভোকেট মতবিনিময় করছেন। 

আছিম-পাটুলি ইউনিয়নের গর্ব, তারণ্যের অহংকার,সৎ, বিনয়ী, শিক্ষানুরাগী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ,পর পর ৫ বার নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান এস.এম. সাইফুজ্জামান (সাইফুল)কে দলের নির্বাচিত ৬ জন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন। বালিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বলেন, আমরা পুটিজানা, কালাদহ, এনায়েতপুর, কুশমাইল, বালিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আছিম-পাটুলী ইউনিয়নের টানা ৫ বারের দক্ষ চেয়ারম্যান সাইফুল ভাইকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছি। 

সাইফুজ্জামান সাইফুল ১৯৬০ সালের ৩১ অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আছিম পাটুলী ইউনিয়নের জঙ্গলবাড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতাঃ মরহুম আলহাজ্ব মৌলভী শাহ্ সুলতান আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আছিম পাটুলী ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে ভাষা আন্দোলন, ছয়দফা, উনসত্তরের গন আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে এলাকায় ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চালান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে এলাকায় প্রচারনা ও গণসংযোগ করেন। পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, বাঙ্গিফাটা ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, জঙ্গলবাড়ী দাখিল মাদ্রাসাসহ অনেক মসজিদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে অন্যতম ভূমিকা রাখেন।   

১৯৭৭ সালে পিতার প্রতিষ্ঠিত পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি, ১৯৭৯ সালে সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি এবং ১৯৮২ সালে সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, করটিয়া, টাঙ্গাইল হতে ইতিহাস-এ বিএ(অনার্স) পাশ করেন। ১৯৮৩ সালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম এ ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। 

আওয়ামী পরিবারের একজন সন্তান হিসেবে কৈশোরকাল থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে বেড়ে উঠা। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে সকল কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে আসছেন জনপ্রিয় এই নেতা। ১৯৮৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে এলাকায় ফিরে এসে রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে এলাকার মুরুব্বীদের পরামর্শে ও অনুরোধে নিজ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৮ সালে ২য় বার, ২০০৩ সালে ৩য় বার, ২০১১ সালে ৪র্থ বার এবং ২০১৬ সালে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার আশীর্বাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত স্বাধীনতার প্রতীক নৌকার প্রার্থী হিসেবে এলাকার জনগনের স্নেহ ও ভালোবাসায় রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে একটানা পঞ্চম বারের মতো ১২নং আছিম পাটুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এখনো সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সাইফুজ্জামান সাইফুল।  

১/১১ (এক এগার-তে) গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনের সময় বিক্ষোভ মিছিলে এবং মানববন্ধন ও কালো পতাকা প্রদর্শন, দেশব্যাপী পরিচালিত শেখ হাসিনার মুক্তির লক্ষ্যে গণস্বাক্ষর অভিযান ও বিভিন্ন ঘরোয়া আলোচনায় একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে অংশগ্রহন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” ও “কারাগারের রোজনামচা” উপর স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পাঠচক্র পরিচালনা করা। শেখ মুজিব রিসার্চ সেন্টার লন্ডন নিবেদিত এবং বিশিষ্ট কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায়  বঙ্গবন্ধু পরিবারের মর্মান্তিক হত্যা সম্পর্কিত ডকু ড্রামা “পলাশী থেকে ধানমন্ডি” স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও হাটে বাজারে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা ও ইতিহাসের এই মর্মন্তুদ ঘটনা নিয়ে আলোকপাত করা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের আন্দোলনের সকল কর্মসূচীতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করা। জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে সর্বদা সক্রিয় অংশগ্রহণ। বিগত ৫ই জানুয়ারী ২০১৪ সালের নির্বাচনের পূর্বে ও পরে বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুর অপকর্মের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত সকল কর্মসূচীতে মাঠে উপস্থিত থেকে চলমান গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনের অগ্রসৈনিক হিসেবে অংশগ্রহণ করা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে সদা প্রস্তুত থাকা। এলাকার প্রতিটি গ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ প্রচার ও লালনের উদ্দেশে এবং গণতন্ত্রের মানসকন্যা বিশ্বশান্তির অগ্রদূত বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগনের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে নিজস্ব অনুদানে একটি করে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। 

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে 

সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী প্রচার, গনসংযোগ, মিছিল ও মিটিং- এ অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে ভুমিকা রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তার ভূমিকা অপরিসীম। 

উপজেলা নির্বাচনে ফুলবাড়ীয়ায় আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হতে পারেন এস.এম সাইফুজ্জামান

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রির্পোটার ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:২৬ পিএম

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগের দলীয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রায় ১২ জন। এসব প্রার্থীরা ইতিমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রচার শুরু করেছেন। ১৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় উপজেলায় চেয়ারম্যান, নারী ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রায় ১২ জন আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী মাঠে নেমেছে। তারা শুরু করেছেন গণসংযোগ। ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের সমর্থকরা দলের রাজনৈতিক পরিচয় যোগ্যতাসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন ।

চেয়ারম্যান পদে শুধু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে আওয়ামীলীগ নেতারা দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছ থেকে তাদের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দলীয় সমর্থন আদায়ের জন্য ইতিমধ্যে লবিং শুরু করেছেন। তবে বিএনপি বা অন্য দলের প্রার্থীরা এখনও সেভাবে সরব নয়। দলীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে থাকলেও একাধিক প্রার্থী দলের বাইরেও নিজ যোগ্যতায় নির্বাচন করতে মাঠে প্রচারনায় ব্যস্ত রয়েছেন।

আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে টানা ৫ বারের ইউপি নির্বাচিত দলীয় চেয়ারম্যান এস.এম সাইফুজ্জামান (সাইফুল), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এডঃ আব্দুর রাজ্জাক, দলের সাধারন সম্পাদক ব্যবসায়ী ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডঃ মোঃ শামছুল হুদা, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ মফিজ উদ্দিন মন্ডল, জেলা পরিষদ সদস্য রুহুল আমিন, মোঃ তাজুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ কে বি এম আমিনুল ইসলাম খাইরুল, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ময়েজ উদ্দিন তরফদার , সাবেক যুবলীগ নেতা সিরাজউদ্দৌলা মঞ্জু, উপজেলা যুবলীগের আব্দুল কুদ্দুছ এর নাম শোনা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ফুলবাড়িয়া পৌর শহরের নোঙ্গর কমিউনিটি সেন্টারে তৃনমূলের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে বিশেষ বর্ধিত সভায় সংসদ সদস্য ও দলের সভাপতি আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এডভোকেট মতবিনিময় করছেন। 

আছিম-পাটুলি ইউনিয়নের গর্ব, তারণ্যের অহংকার,সৎ, বিনয়ী, শিক্ষানুরাগী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ,পর পর ৫ বার নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান এস.এম. সাইফুজ্জামান (সাইফুল)কে দলের নির্বাচিত ৬ জন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছেন। বালিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বলেন, আমরা পুটিজানা, কালাদহ, এনায়েতপুর, কুশমাইল, বালিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আছিম-পাটুলী ইউনিয়নের টানা ৫ বারের দক্ষ চেয়ারম্যান সাইফুল ভাইকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছি। 

সাইফুজ্জামান সাইফুল ১৯৬০ সালের ৩১ অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আছিম পাটুলী ইউনিয়নের জঙ্গলবাড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতাঃ মরহুম আলহাজ্ব মৌলভী শাহ্ সুলতান আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আছিম পাটুলী ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে ভাষা আন্দোলন, ছয়দফা, উনসত্তরের গন আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে এলাকায় ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা চালান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে এলাকায় প্রচারনা ও গণসংযোগ করেন। পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, বাঙ্গিফাটা ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, জঙ্গলবাড়ী দাখিল মাদ্রাসাসহ অনেক মসজিদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে অন্যতম ভূমিকা রাখেন।   

১৯৭৭ সালে পিতার প্রতিষ্ঠিত পোড়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি, ১৯৭৯ সালে সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি এবং ১৯৮২ সালে সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, করটিয়া, টাঙ্গাইল হতে ইতিহাস-এ বিএ(অনার্স) পাশ করেন। ১৯৮৩ সালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম এ ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। 

আওয়ামী পরিবারের একজন সন্তান হিসেবে কৈশোরকাল থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে বেড়ে উঠা। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে সকল কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে আসছেন জনপ্রিয় এই নেতা। ১৯৮৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে এলাকায় ফিরে এসে রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে এলাকার মুরুব্বীদের পরামর্শে ও অনুরোধে নিজ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৮ সালে ২য় বার, ২০০৩ সালে ৩য় বার, ২০১১ সালে ৪র্থ বার এবং ২০১৬ সালে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার আশীর্বাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত স্বাধীনতার প্রতীক নৌকার প্রার্থী হিসেবে এলাকার জনগনের স্নেহ ও ভালোবাসায় রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে একটানা পঞ্চম বারের মতো ১২নং আছিম পাটুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এখনো সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সাইফুজ্জামান সাইফুল।  

১/১১ (এক এগার-তে) গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনের সময় বিক্ষোভ মিছিলে এবং মানববন্ধন ও কালো পতাকা প্রদর্শন, দেশব্যাপী পরিচালিত শেখ হাসিনার মুক্তির লক্ষ্যে গণস্বাক্ষর অভিযান ও বিভিন্ন ঘরোয়া আলোচনায় একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে অংশগ্রহন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” ও “কারাগারের রোজনামচা” উপর স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পাঠচক্র পরিচালনা করা। শেখ মুজিব রিসার্চ সেন্টার লন্ডন নিবেদিত এবং বিশিষ্ট কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায়  বঙ্গবন্ধু পরিবারের মর্মান্তিক হত্যা সম্পর্কিত ডকু ড্রামা “পলাশী থেকে ধানমন্ডি” স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও হাটে বাজারে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা ও ইতিহাসের এই মর্মন্তুদ ঘটনা নিয়ে আলোকপাত করা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের আন্দোলনের সকল কর্মসূচীতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করা। জামাত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে সর্বদা সক্রিয় অংশগ্রহণ। বিগত ৫ই জানুয়ারী ২০১৪ সালের নির্বাচনের পূর্বে ও পরে বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুর অপকর্মের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত সকল কর্মসূচীতে মাঠে উপস্থিত থেকে চলমান গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনের অগ্রসৈনিক হিসেবে অংশগ্রহণ করা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে সদা প্রস্তুত থাকা। এলাকার প্রতিটি গ্রামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ প্রচার ও লালনের উদ্দেশে এবং গণতন্ত্রের মানসকন্যা বিশ্বশান্তির অগ্রদূত বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগনের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে নিজস্ব অনুদানে একটি করে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। 

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে 

সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী প্রচার, গনসংযোগ, মিছিল ও মিটিং- এ অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে ভুমিকা রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তার ভূমিকা অপরিসীম।